উজিরপুরে আ’লীগের দুই পক্ষে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, আটক-৩

শেয়ার করুনঃ

নাগরিক রিপোর্ট: বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইলে ফেসবুকে ষ্টাটাস দেয়া নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় হামলা-পাল্টা হামলা হয়েছে। এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা করা হয়। রোববার দুপুরে এ ঘটনার পর পুলিশ হাসপাতাল থেকে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। বিবাদমান দুই পক্ষই স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী।
স্থানীয় সুত্রগুলো জানিয়েছে, বামরাইল এলাকায় একটি কালভার্ট নির্মান কাজ বরাদ্দ হওয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্যসের প্রশংসা করে ফেসবুকে ষ্টাটার্স দেন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক আল আমিন খলিফা। নাসির ফরাজি নামক আরও একজন একই ধরনের স্টার্ডাস দিয়ে এলাকার অন্যান্য যারা এমপির প্রসংসা করছেন না তাদের ভৎসনা করেন।
৩/৪ দিন আগে নাসির ফরাজীকে মারধর করে ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী মিরাজ, শাওন বালী, শরীফ ভূইয়া সহ আরো কয়েকজন। রোববার এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে শালিস বৈঠক হওয়ার কথা ছিল স্থানীয় এবি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। সেখানে প্রতিপক্ষরা আল আমিন খলিফাকে মারধর করলে দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। আহত একজনকে উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হলে প্রতিপক্ষ গ্রæপ সেখানে গিয়েও হামলার চেষ্টা চালায়।
বামরাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের মিজানুর রহমান কবির জানান, বিবাদমান দুইপক্ষই একই বাড়ির। তাদের মধ্যে পূর্ব বিরোধ রয়েছে। ফেসবুকে ষ্টাটার্স দেয়া নিয়ে কয়েকদিন যাবত বিরোধ চাঙ্গা হওযায় তা নিরসনের জন্য তিনি গতকাল রোববার এমবি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুই পক্ষকে নিয়ে বসেছিলেন। আরও কয়েকজন শালিসদার নিয়ে পরে আবার বসা হবে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এমন সময় একপক্ষ আল আমিন ও মিরাজকে মারধর করায় দুপক্ষের মধ্যে আবার মারামারি শুরু হয়। তখন তিনি সেখান থেকে চলে আসেন।
উজিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হেলাল রোববার সন্ধ্যায় জানান, পূর্ব বিরোধ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় হামলা পাল্টা হয়েছে। হাসপাতালে হামলার সময় তিনজনকে আটক করা হলেও কোন বিবাদমান কোন পক্ষ থানায় অভিযোগ লিখিত দেয়নি। পরিদর্শক মো. হেলালের দাবী, ওই তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক রাখা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *