ফেসবুকের বাংলাদেশ বিষয়ক কর্মকর্তা সাবহানাজ রশীদ দিয়া

শেয়ার করুনঃ

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখার একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে।

সাবহানাজ রশীদ দিয়া নামের এই কর্মকর্তাকে সোমবার একটি অনলাইন মিটিংয়ে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের কাছে পরিচয় করিয়ে দেয়ার পর তার কাজ কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

বাংলাদেশে প্রায় চার কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করেন। এটি যেমন ব্যক্তিগত যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে, তেমনি ব্যবসার প্রয়োজনেও অনেকে এই মাধ্যমটিকে ব্যবহার করেন। এছাড়া, বাংলাদেশে ফেসবুকের নিজস্ব ব্যবসায়িক স্বার্থও রয়েছে।

ফলে বাংলাদেশ বিষয়ক একজন কর্মকর্তা হিসেবে সাবহানাজ রশীদের নিয়োগকে বেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রথম তথ্যটি প্রকাশ করেন।

যদিও গত এপ্রিল মাস থেকেই তিনি এই পদে কাজ করছেন, তবে সোমবারই তাকে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়।

বাংলাদেশে ফেসবুকের পক্ষে জনসংযোগের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান বেঞ্চমার্ক পিআর জানিয়েছে, সাবহানাজ রশীদ দিয়া ফেসবুকের বাংলাদেশ বিষয়ক পাবলিক পলিসি ম্যানেজার হিসাবে কাজ করছেন।

”বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে ফেসবুকের সম্পর্ক রক্ষা করাসহ এনজিও ও আই-এনজিও, টেক কোম্পানি এবং সিভিল সোসাইটির সঙ্গে ফেসবুকের সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো তিনি দেখবেন,” বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছে বেঞ্চমার্ক পিআর।

ফেসবুকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল টিমের একজন সদস্য হিসাবে কাজ করছেন বাংলাদেশের পাবলিক পলিসি ম্যানেজার সাবহানাজ রশীদ দিয়া।

বাংলাদেশ বিষয়ক একজন কর্মকর্তা হিসেবে কী ধরণের কাজ করতে হবে, সে সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়েছিল ফেসবুকের বিজ্ঞাপনে।

‘পাবলিক পলিসি ম্যানেজার স্থানীয় ভাষা, জননীতি এবং বিধিবিধান বিশ্লেষণ করে দেশটি সম্পর্কে তথ্য যোগানের প্রথম কাজটি করবেন। সেসব তথ্যের ভেতর ওই দেশের রাজনৈতিক এবং সামাজিক গভীর পর্যবেক্ষণ থাকবে, যার ভিত্তিতে ওই দেশের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিসহ সরকার, এনজিও, অ্যাকাডেমিয়া, শিল্প, প্রযুক্তিসহ অন্যান্য কোম্পানির সঙ্গে ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন শাখার গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে।”

দক্ষিণ এশিয়ার পাবলিক পলিসি ডিরেক্টরের কাছে তিনি রিপোর্ট করবেন।

ফেসবুক আরও জানিয়েছিল, পাবলিক পলিসি ম্যানেজার এমন একটি টিমের সদস্য হিসাবে কাজ করবেন, যাদের গোপনীয়তা, নিরাপত্তা, উম্মুক্ত ইন্টারনেট, ডিজিটাল অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, নতুন নতুন বিভিন্ন পক্ষের সম্পৃক্ততা তৈরিতে করতে কাজ করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *