নাগরিক রিপোর্ট:
দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় বুড়া গৌরঙ্গ নদী তীরে জেগে ওঠা প্রায় আড়া হাজার একর চরের জমি দখলে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে স্থানীয় ভুমিদস্যুরা। উপজেলার দুলারহাট থানাধীন চর মুজীবনগরে এই জমি নিয়ে বকুল বেগম নামে এক ভুমিহীনের প্রানও গেছে। পুলিশ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো এখন ভুমিহীনদের হয়রানী করছে। সেখানকার প্রায় ৯০০ ভুমিহীন পরিবারকে চরের জমির বন্দোবস্ত দেয়া এবং বকুল হত্যার সুষ্ঠ বিচারের দাবীতে গতকাল শনিবার বরিশাল নগরীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিভাগীয় ভুমিহীন অধিকার সুরক্ষা ফোরাম।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে ফোরামের সদস্য সচিব রফিকুল আলম বলেন, চর মজিব নগরের ২ হাজার ৫২২ একর চরের জমি দীঘ ৪ বছর ধরে বন্দবস্ত পেতে সেখানকার ৯০০ ভুমিহীন লড়াই করে যাচ্ছে। এই বিষয়ে মুজিবনগর ইউনিয়ন ভূমিহীন সমবায় সমিতির পক্ষে বন্দোবস্ত পাবার লক্ষে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হলে আদালত এক মাসের মধ্যে বন্দোবস্তের বিষয়টি সুরাহা করতে ভোলার জেলা প্রশাসনকে আদেশ দেন।
সে অনুযায়ী তৎকালীন এসি ল্যান্ড ভূমিহীনদের চরের জমিতে চাষাবাদ করার অনুমতি দেন। এতে চরের অবৈধ দখলদার ভূমিগ্রাসীরা মুজিবনগর ইউনিয়ন ভূমিহীন সমবায় সমিতি লি: এর নেতা আলম বাচ্চুর উপর ক্ষিপ্ত হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৩০ নভেম্বর রাত দেড়টার মধ্যে ১৪-১৫ জন সন্ত্রাসী আলম বাচ্চুর বাড়ীতে ঢুকে তার স্ত্রী বকুল বেগমকে উপর্যপুরি কুপিয়ে হত্যা করে। পর দিন মামলা করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহনে গড়িমসি করে। এর প্রেক্ষিতে আলম বাচ্চু আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এদিকে বকুলকে হত্যার পর থেকে এখন পর্যস্ত একাধিক মিথ্যা মামলা হয়েছে ভূমিহীনের বিরুদ্ধে। ভূমিহীন নেতা আলম বাচ্চু মিথ্যা মামলায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল বিভাগীয় ভুমিহীন অধিকার সুরক্ষা ফোরামের আহবায়ক দিপু সামসুল ইসলাম, যুগ্ন আহগবায়ক রনজিৎ দত্ত ভুমিহীন নেত্রী বকুল বেগমের হত্যার সুষ্ঠ বিচার, পুলিশী হয়রানী বন্ধ সহ ভুমিহীনদের মাঝে চর মজিবনগরের খাসজমি বন্দবস্তের দাবী জানান।

I don’t think the title of your article matches the content lol. Just kidding, mainly because I had some doubts after reading the article.
Your point of view caught my eye and was very interesting. Thanks. I have a question for you.