নাগরিক রিপোর্ট: বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান এম এ আজাদের (৪৫) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনাটির এখনও ক্লু পায়নি পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৯ জনকে থানায় আনা হলেও বুধবার ৭ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়। নিহত এম.এ আজাদের ছোট ভাই ডা. শাহরিয়ার উচ্ছাস বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে মঙ্গলবার রাতে কোতোয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রহমান মুকুল বুধবার দুপুরে বলেন, ডা. এম.এ আজাদের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে পুলিশ জোর তদন্ত করছে। এ পর্যন্ত কোন ক্লুই তারা পাননি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নগরীর কালীবাড়ি সড়কে মমতা ষ্পেশালাইজড হাসপাতালের ৯ কর্মচারীকে মঙ্গলবার বিকালে থানায় আনা হয়েছিল। তার মধ্যে দুইজনকে রেখে দিয়ে অপর ৭ জনকে বুধবার ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
এদিকে ডা. এম.এ আজাদের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার আছরের নামাজের পর বরিশাল শেবাচিম ক্যাম্পাসে প্রথম জানাজা এবং সন্ধ্যার পরে গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের স্বরূপকাঠী উপজেলার সোহাগদল গ্রামে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর কালিবাড়ি সড়কে মমতা স্পেশাইলজ হাসপাতালের লিফটের নিচ থেকে ডা. এম.এ আজাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ হাসপাতাল ভবনের ৭ম তলার একটি ইউনিটে একা থাকতেন তিনি। সোমবার সন্ধার আগ থেকে নিঁখোজ ছিলেন তিনি। ঢাকায় অবস্থানরত তার স্ত্রী সোমবার সন্ধ্যার পর স্বামী ডা. আজাদের মুঠোফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তাকে খোঁজাখুজি শুরু হয়। হাসপাতালের কর্মচারীরা জনিয়েছেন, সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ডা. আজাদকে তার কক্ষের সামনে পায়চারী করতে দেখেছেন তারা।
২০২০-০৪-২৯
