বাকরগঞ্জ প্রতিনিধি:
বাকেরগঞ্জের কলসকাঠীতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী টিটু খন্দকারের বাড়িতে হামলা-ভাংচুর করা হয়েছে। আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ফয়সাল ওয়াহিদ মুন্না তালুকদার নিজে উপস্থিত থেকে এ হামলায় নেতৃত্ব দেয়।এতে দুইজন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন হেলাল খন্দকার (৫০) ও মিলন খন্দকার (৩৮)। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। সুত্রে জানা গেছে, আগামী ১১ এপ্রিল কলসকাঠী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোঃ ওয়াদুদ খন্দকার টিটু চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। রবিবার রাতে চেয়ারম্যান প্রার্থী টিটু খন্দকার তার পরিবারের লোকজন নিয়ে কলসকাঠী ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের বাড়িতে যায়।
এ খবর পেয়ে সোমবার বেলা ১ টার সময় আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মুন্না তালুকদারের নেতৃত্বে হাবিব আকন ওরফে গুডু হাবিব, মেম্বার প্রার্থী মাসুদ সিকদার, মজিদ খান, ডিস শহিদ, জাকির হাওলাদার ওরফে চৈ জাকির, মনির শরীফ, জব্বার হাওলাদার ওরফে পিসি জব্বার, বাইজিদ হাওলাদারসহ ৪০-৫০ জন লাঠিসোঠা ও লোহার রড নিয়ে টিটু খন্দকারের বাড়িতে হামলা করে। হামলাকারীরা তার বাড়িতে লাগানো কয়েকটি সিসি টিভি ভাংচুর করে।
এসময় টিটু খন্দকারের চাচাতো ভাই হেলাল খন্দকার তাদেরকে হামলা করতে নিবৃত করার চেষ্টা করলে তাকেও ধাওয়া করে। আত্নরক্ষার্থে তিনি বাড়ি সংলগ্ন মসজিদে উঠলে সেখানেও হামলা করে তাকে মারধর করে আহত করা হয়। স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ওয়াদুদ খন্দকার টিটু এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে নিশ্চিত পরাজয় ভেবে মুন্না তালুকদার তা৷ বাড়িতে হামলা করেছে। তিনি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন ও তাকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য প্রশাসনের নিটক জোর দাবি জানান।
হামলাকারী চেয়ারম্যান প্রার্থী মুন্না তালুকদার এ বিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলাউদ্দিন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী টিটু খন্দকারের বাড়িতে হামলার খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠিয়েছেন বলে জানান। লিখিত অভিযোগ পেলে তিনি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান।
