নাগরিক রিপোর্ট:
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবামি) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দ্ইুদিন পরীক্ষার বিপরীতে পজেটিভ শনাক্তের হার কমে এসেছে। যদিও নমুনা পরীক্ষা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেড়েছে পজেটিভ রোগীর সংখ্যা। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘন্টায় বরিশাল বিভাগে (৬ জেলা) নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে পজেটিভ শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৪০। গত সোমবার বিভাগে শনাক্তের হার ছিল ৩৮ দশমিক ৭৬।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের দেয়া তথ্য মতে, বিভাগের ৬ জেলায় ১০০৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৭৬ জন পজেটিভ শনাক্ত হন। বরিশাল জেলায় ৩৬৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮৫ জন করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ৫৫ জনই নগরীর বাসিন্দা। নগরীর শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালের আরটি-পিসিআর ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় পজেটিভ শনাক্ত হন ৭৯। পরীক্ষার তুলনায় করোনা শনাক্তের হার ৪১ দশমিক ৭৯ ভাগ। তবে পুরো জেলায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ১৬। দুইদিন আগে সোমবার শনাক্তের বরিশাল জেলাতে শনাক্তের হার ছিল ৩৫ দশমিক ৮২।
শনাক্তের হার কমেছে পিরোজপুর জেলাতেও। বাগেরহাট সংলগ্ন এ জেলায় সোমবার শনাক্তের হার ৭০ দশমিক ৭৭ পর্যন্ত উঠেছিল। বৃহস্পতিবার তা কমে ৪২ দশমিক ৭৮ হয়েছে। ১৮৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় এ জেলাতে পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে ৮০ জনের।
অপর চার জেলাতে শনাক্তের হার হচ্ছে- পটুয়াখালীতে ১৭ দশমিক ৭০, ভোলায় ২১ দশমিক ৬২, বরগুনায় ৩০ দশকি ৮৫ এবং ঝালকাঠীতে ৩০ দশমিক ৬২।
বরিশাল শেবাচিম হাসপতালের পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম জানান, হাসপাতালের করোনা ইউনিটে রোগীর চাপ বাড়ছে। এক সপ্তাহ আগেও গড়ে প্রতিদিন রোগী ভর্তির সংখ্যা ছিল ১০ জন। গত ৩ দিনে গড়ে ৪০ করে রোগী ভর্তি হচ্ছেন। এর মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ রোগী করোনায় আক্রান্ত। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্তহ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৪৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।
