নাগরিক রিপোর্ট:
করোনাকালীন শেষনচার্জ সহ সকল ফি মওকুফের দাবীতে বরিশাল নগরীর সদর রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করায় নগরীর প্রাণকেন্দ্র অনেকটা অবরুদ্ধ হয়ে পরে। এসময় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-ছাত্রীরা এই করনোয় পরিবারের অসহায়ত্বর কথা তুলে ধরে শিক্ষা নিয়ে বানিজ্য বন্ধ করার আহবান জানান।
সকালে নগরীর সদর রোডে হঠাৎই জরো হন সরকারি মহিলা কলেজ, সিটি কলেজ ও টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক ও ¯œাতক শ্রেনীর কয়েকশ ছাত্র-ছাত্রী। কোতয়ালী পুলিশ এসে তাদের সরিয়ে দেয়ার চেস্টা করলেও শিক্ষার্থীরা সড়কে বসে পরেন। তারা শিক্ষাখাতে নানা অনিয়মের কথা তুলে ধরে শ্লোগান দেন।
নগরীর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র রাকিবুল হক বলেন, করোনায় তার পরিবার কিভাবে খাবার জোগাবে তা নিয়েই চিন্তায়। তার উপর এই করোনায় একজন শিক্ষার্থীর মাথায় বেতন আবার শেষন চার্জেরও খড়গ। তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, শিক্ষা গ্রহন করবো তা নিয়েও কত খাতে টাকা গুনতে হয়। ছাত্র ছাত্রীদের জিম্মী করে এমন বানিজ্য প্রত্যাহার না করলে তারা ঘরে ফিরবেন না।
নগরীর টেক্সটাইল এলাকার এক ছাত্রীর ভাই নাদিম মল্লিক বলেন, তিনি যে কারখানায় কাজ করতেন তা করোনায় বন্ধ হয়ে গেছে। এখন তার বোনের কলেজে নানা খাতে টাকা দিতে হবে। এ টাকা তিনি পাবেন কোথায়।
শিক্ষার্থীদের এ আন্দলনে একাতœতা প্রকাশ করেন বাম সংগঠন বাসদের বরিশাল জেলা আহবায়ক ইমরান হাবিব রুমান, সদস্য সচিব মনিষা চক্রবর্তী প্রমূখ। পরে দুপুরে মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম শামিমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ছাত্র-ছাত্রীদের আশ্বাস দিলে তারা সড়ক ছেড়ে দেন।
