নাগরিক রিপোর্ট : অবশেষে পুলিশের কনষ্টবল পদে চাকুরী পেলো আলোচিত ‘ভূমিহীন) কলেজছাত্রী আসপিয়া ইসলাম। শনিবার রাত ৮টায় তার কাছে নিয়োগপত্র হস্তান্তর করা হয়। বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
থানা পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপার স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্র আসপিয়ার হাতে তুলে দেন হিজলা থানার উপ-পরিদর্শক মো. মিজান। নিয়োগপত্রে আগামী ২৮ ডিসেম্বর সকাল ১০টার মধ্যে আসপিয়াসহ চুড়ান্ত নিয়োগ পাওয়া সকল চাকুরপ্রত্যাশীকে প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য সামগ্রী নিয়ে জেলা পুলিশলাইন্সে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। তাদের রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে পাঠানো হবে। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে নারী কনষ্টবল নিয়োগপ্রাপ্তদের ৬ মাসের প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে রংপুরে।
কনষ্টবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় বরিশাল জেলায় মেধাতালিকায় পঞ্চম স্থান অর্জন করেছেন হিজলা উপজেলার মৃত শফিকুল ইসলামের মেয়ে কলেজছাত্রী আসপিয়া ইসলাম। তাকে চুড়ান্ত নিয়োগপত্র দেয়ার আগে পুলিশী তদন্তে জানা যায়, তারা হিজলা উপজেলার ভাড়াটিয়া বাসিন্দা। তাদের স্থায়ী নিবাস ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলায়। তবে আসপিয়ার জন্ম ও লেখপড়া সবকিছুই হিজলাতে। চাকুরী আবেদনপত্রে তার স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছিল হিজলা উপজেলা।
স্থায়ী ঠিকানা নিয়ে আইনী জটিলতায় তার নিয়োগপত্র পাওয়া অনিশ্চিত পরে। আসপিয়া পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করলে তিনি সহানুভূতি দেখালেও আইনের কারনে নিয়োগপত্র দিতে পারছেন না বলে জানিয়ে দেন।
এনিয়ে গত ১০ ডিসেম্বর সমকাল সহ বিভিন্ন সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নজরে আসে। সেখান থেকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নির্দেশ দেয়া হয় স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করতে হিজলায় খাসজমি থেকে আসপিয়ার পরিবারকে জমি ও ঘর বরাদ্ধ দেয়ার জন্য। এরই মধ্যে খাসজমিতে তাদের ঘর নির্মান কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।
২০২১-১২-২৬
