নাগরিক রিপোর্ট : বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় শত্রুতা উদ্ধারে কীটনাশক দিয়ে এক চাষীর ৮ একর জমির তরমুজ গাছ নষ্ট করে দিয়েছে প্রতিপক্ষরা। এতে ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কৃষক।
বিষাক্ত কীটনাশক ছিটিয়ে দেযায় ৮ একর জমির তরমুজ গাছ লাল হয়ে অর্ধমৃত হয়ে পড়েছে এবং ফলন ধরা তরমুজে পচন ধরেছে। বড় লোকসানের আশংকায় হতব্বিহল হয়ে পড়েছেন ভূক্তভোগী কৃষক বাবুল তালুকদার।
তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), কৃষি অফিস ও থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে জানিয়েছেন, তার ব্যবসায়ীক অংশীদার সুমনকে বাদ দেওয়ায় তিনি (সুমন) ক্ষিপ্ত হয়ে ৪ দিন আগে রাতের আধারে এ কাজ করেছেন।
অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে ঘটনাস্থল মেহেন্দিগঞ্জের মিয়ারচর পরিদর্শন করেছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা কায়সার উদ্দিন বলেন, কীটনাশকের সঙ্গে লবন মিশিয়ে চরের বিস্তৃন এ তরমুজ ক্ষেতে ছেটানো হয়েছে। এতে গাছের পাতা পুড়ে গেছে। গাছ ও তরমুজ এখন অর্ধমৃত। আগাছানাশক ‘রনো স্টার’ মেশানোয় তরমুজ পচে যাচ্ছে।
চাষী বাবুল তালুকদার জানান, শ্রীপুর ইউনিয়নের মাসকাটা নদীর তীরে মেযারচরে তিনি এক বছরের জন্য ৫০ হাজার টাকায় ১৫ একর জমি বর্গা নিয়ে তরমুজ চাষ করেন। স্থানীয় সুমন নামক একজনকে ব্যবসায়ীক অংশীদার করেছিলেন। সুমনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ থাকায় তাকে অংশীদারিত্ব থেকে বাদ দেয়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সুমন, তার ভাই শিবলু ও একই এলারকার ইব্রাহিমগত ১১ মার্চ রাতে ক্ষতিকর কীটনাশক ছিটিয়ে দেয়। এতে গাছে মড়ক ও তরমুজে পচন ধরেছে। ঘটনার পর সুমন ও অভিযুক্ত অপর দুইজন আত্মগোপন করেছে। অভিযুক্ত সুমনের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
মেহেন্দীগঞ্জর ইউএনও মো: নুরুন্নবী বলেন কারা তরমুজ ক্ষেত বিনস্ট করেছে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিবেন।
মেহেন্দিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, ৮ একর তরমুজ ক্ষেত নষ্টের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনা তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।##
২০২২-০৩-১৫
