নাগরিক রিপোর্ট
বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) আরও ১৫ কর্মকর্তার তথ্য চেয়ে নোটিশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের বরিশাল সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবুল কাইয়ুম হাওলাদার এ নোটিশ দেন। রোববার দুদক সুত্র এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে আরও ১৯জনকে নোটিশ দেয়া হয়েছিল। নোটিশে ওই কর্মকর্তাদের অফিসিয়াল নাম, পদবি, কর্মরত শাখার নাম (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, এনআইডি, মোবাইল নম্বরসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তলব করা হয়েছে।
নোটিশ পাওয়া করপোরেশনের কর্মকর্তারা হচ্ছেন- নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মোতালেব, আবুল বাশার, ওমর ফারুক ও মকসুমুল হাকিম রেজা, সহকারী প্রকৌশলী অরিফুর রহমান, উপ সহকারী প্রকৌশলী শফিকুল আলম, আহসান হাবিব ও রেজাউল করিম, সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) ওহিদ মুরাদ, পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা দিপক লাল মৃধা ও রেজাউল করিম, রাজস্ব কর্মকর্তা বাবুল হালদার, ট্রেড লাইসেন্স সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, সুপারেন্টেড (পানি সরবরাহ) মোঃ পান্না এবং মেডিকেল অফিসার খন্দকার মনজুরুল ইসলাম শুভ্র।
এর আগে এর আগে গত জুলাইয়ে ১৮ কর্মকর্তাকে নোটিশ দেয়া হয়। দুদকের নির্ভরযোগ্য সুত্রমতে, নোটশ পাওয়া ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে উন্নয়ন কাজে অনিয়ম, ঘুষ নেয়া, রাজস্ব আদায়ে নয় ছয়, স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম এবং অবহেলা ও ট্রেডলাইসেন্স দেয়ার নামে উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে রাজস্ব কর্মকর্তা বাবুল হালদার, ট্রেড সুপার মো. শহিদুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ পাওয়ায় ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সিটি করপোরেশন থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। তবে তারা দুইজনেই তৎকালীন ছাত্রলীগের নেতা হওয়ার প্রভাব খাটিয়ে আবার চাকরি ফিরে পান।
এব্যাপারে দুদক বরিশালের পরিচালক মোজাহার আলী সরদার সাংবাদিকদের বলেন, সম্প্রতি সিটি করপোরেশনের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধানকাজ চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে শেষে কর্মকর্তার দাখিলকৃত প্রতিবেদনের আলোকে কমিশন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
