নাগরিক রিপোর্ট ॥ দ্বীপ জেলার ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় পুলিশের সাথে জনতার সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ৩০ জন ভর্তি হয়েছে। রোববার দুপুর থেকে এ ঘটনায় আহতদের সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেয়া হয়। হাসপাতালের পরিচালক ডা: বাকির হোসেন বলেন, অনেকেই ছড়রার গুলিতে আহত। তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসকার ব্যবস্থাা করা হয়েছে।
হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, আহতরা হচ্ছেন- বোরহানউদ্দিনের শিশু মো: মুন্না (১৩) আবুল কালাম (৩৮), আবু তাহের (৩০), মিজানুর রহমান (৩০), ইউনুফ (৬০), নান্টু (৪০), মাকসুদুর রহমান (১৮), তানভীর (৩০), ওয়ালিউল্লাহ (২৪), সিদ্দিক (২৮), শামীম (১৮), সোহরাব (৩০), আল আমিন (১৮), জামাল (২৫), কবির (৩৫), আলাউদ্দিন (৪২), সোহেল (২৬), হান্নান (৪৫), রিয়াজ (২৯), ইমাম হাসান (২৬), নুরুল ইসলাম (৩৫), রকিব (১২), মনির (১৭), রাকিব (১৫), হাসিব (১৪) তাজুল ইসলাম (৫৫), সুজন (৩৫), সিদ্দিকুর রহমান (২৩), শাহান (১৭) ও জাহিদুল (২৫)।
আহতদের অধিকাংশই গুলি ও গুলির পিন বিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক আবুল হাসানাত রাসেল।
আহতদের মধ্যে শিশু মো: মুন্না জানান, বোরহানউদ্দিন জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় একটি বিক্ষোভ সমাবেশ ছিল। সমাবেশে আসাদের সঙ্গে পুলিশের বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ গুলি ছুড়লে সে আহত হন। আল আমিন নামে অপর একজন বলেন, ফেসবুকে স্টেটাস দেয়া নিয়ে স্থানীয়দের পুলিশের বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। হাসপাতালের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে মেট্রোপলিটন পুলিশের একাধিক টিম অব¯’ান নিতে দেখা গেছে।
এদিকে বোরহানউদ্দিনে জনতার সংঘর্ষে হতাহতের প্রতিবাদে রোববার বিকেলে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে চরমোনাই পীরের দল এর ছাত্র সংগঠন ইশা আন্দোলন।

