প্রকৃতিতে হেমন্তের আগমনী বার্তা

Spread the love

সৈয়দ জুয়েল ॥ “ধান ভানে বউ,দুলে দুলে উঠে রুপ-তরঙ্গে বান, বধুর পায়ের পরশে পেয়েছে, কাঠের ঢেঁকিও প্রান।” হেমন্ত নিয়ে নজরুলের ভাবনা ছিল এরকমই। ষড়ঋৃতুর চতুর্থ ঋৃতুরানী হেমন্ত। স্নিগ্ধ সকালের আবছা কুঁয়াশায় ধানগাছের ডগায় শিঁশিরবিন্দু যেন প্রকৃতিতে যানান দেয় হেমন্তের আগমনী বার্তা। সকালের প্রথম নরম রোদের স্পর্শে শিশিরবিন্দুর প্রতিটি ফোঁটা যেন মুক্তার ঝিলিকের আপ্সরী। পিঠা, পুলি আর খেজুর রসের ঘ্রানে মেতে ওঠে প্রায় প্রতিটি ঘর।
নবান্ন উৎসবের সময়ও এটি। হেমন্তে শিউলি, গন্ধরাজ, মল্লিকা, কামিনী, দেবকান্চন নানা ধরনের ফুল ফোটে। কিন্তু শিউলির সৌরভ পেলেই মনের মাঝে বেজে ওঠে আজ হেমন্ত। স্নিগ্ধতায় হেমন্ত আমাদেরকে একটু বেশি-ই বিমুগ্ধ করে অহর্নীশ। ধান কাটার সময় এটা, বরিশালে তাই কৃষকের ঘরে পূর্নতার উৎসব ছড়িয়ে পড়ছে। রানীর বেশেই তার আগমন, তাই ঋৃতুরানী হেমন্ত আসে পূর্নতার বারতা নিয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *