নাগরিক রিপোর্ট ॥ মোটরসাইকেলে বন্ধুদের সাথে পুজা মন্ডপে ঘুরতে গিয়েছিল স্কুল ছাত্র ইমাম হোসেন ইমন (১৪)। কিন্তু বিরোধ দেখা দেয়ায় চলন্ত বাইক থেকে ফেলে দেয়া হয় ইমনকে। গুরুতর আহত ইমন টানা ২০ দিন হাসপাতারে লড়াই করে অবশেষে মারা গেছে। শুক্রবার রাতে সে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। ইমনের বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর গ্রামে। সে উপজেলার জাহাপুর মাধ্যমে বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণরি ছাত্র ছিল। এদিকে ইমনের মৃত্যুর প্রতিবাদে শনিবার তার সহপাঠীরা মানবন্ধন করেছে।
জানা গেছে, গত ৫ অক্টোরব রাতে পুজা দেখার নামে একই গ্রামের আবুল হোসেনের পুত্র নুরুন নবী মেবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে যায় ইমনকে। এসময় সাথে নবীনের সাথে আরো ৩ সহযোগী যথাক্রমে হাসান, সোহেল, মুন্না ছিল। রাতে বিভিন্ন পুজা মন্ডপ ঘুরে বেড়ানোর এক পর্যায়ে বন্ধুদের সাথে ইমনের বিরোধ দেখা দিলে তাকে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ফেলে হত্যার চেস্টা করে নুরুন নবী, সোহেল, হাসান ও মুন্না। এক পর্যায়ে আহত স্কুল ছাত্র ইমনকে নুরুন নবীর বাড়িতে একটি ঘরে অটকে রেখে নির্যাতন করে। পরদিন ৬ অক্টোবর ইমনকে নবীনদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে স্বজনরা শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ইমনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রেরন করা হয়। হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ১৩ অক্টোবর বাবুগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে স্কুল ছাত্র ইমন’র পিতা নাসির উদ্দিন বেপারী।
এব্যপারে বাবুগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন,স্কুল ছাত্র মারা যাওয়ার সংবাদ তিনি পেয়েছেন। ছাত্র ইমনের বাবা দায়ের করা মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রুপান্তরিত হবে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আটকের চেস্টা চলছে।
২০১৯-১০-২৬
