নাগরিক রিপোর্ট: তারা কেউ চিকিৎসক নন। এমনটি স্কুলের গন্ডিও পেরুতে পারেননি অনেকে। অথচ চিকিৎসক পরিচয়ে গ্রামের সহজ-সরল লোকজনের সঙ্গে প্রতারনা করে চিকিৎসা বানিজ্য করে আসছিল তারা। এমন ৫ ভূয়া চিকিৎসককে আটকের পর তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।
সোমবার পিরোজপুরের ভান্ডরিয়া পৌর শহরে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ইয়াসিন খন্দকার নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে ৫ ভূয়া চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালতে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদন্ড দিয়েছে। র্যাব-৮ এর সহযোগীতায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।
শামীম আকন নামক এক ভূয় চিকিৎসককে ২ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়। অপরদের মধ্যে ফাইজুল হক ও মহিউদ্দন আহমেদ পলাশকে ৬ মাস করে, জসিম উদ্দিন শাহিনকে ৪ মাস ও বাবুল হোসেনকে ২ মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়। এছাড়া ভূয়া চিকিৎসক শামীম আকনকে বাসা ভাড়া দিয়ে সহযোগীতা করা বাড়ির মালিক আব্দুল কাদের হাওলাদারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
র্যাব-৮ সুত্র জানায়, ভূয়া চিকিৎসক শামিম আকন স্কুলের গন্ডি পেরুতে পারেনি। সে হাড়ভাঙ্গা রোগের চিকিৎসা দিয়ে আসছিল। বিভিন্ন গাছগাছালি ও গরুর মুত্র ব্যবহার করতো চিকিৎসার জন্য। সোমবার তার ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে ৫ জন হাড়ভাঙ্গা রোগী উদ্ধার করা হয়। পরে তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
২০২০-০১-০৬
