নাগরিক রিপোর্ট : ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার প্রাক প্রাথমিক কাজ শুর করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)। জেলার আওতাভুক্ত মহাসড়কের ৭৬ কিলোমিটার অংশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম উচ্ছেদের প্রস্তুতি শুরু হবে আজ বুধবার। জেলা সীমানা ভূরঘাটা থেকে লেবুখালী ফেরীঘাট পর্যন্ত মহাড়কের দুপাশের অবৈধ স্থাপনায় লাল রং দিয়ে চিহিৃত করার মধদিয়ে এ কাজ শুরু করা হবে। আজ ভূরঘাটা প্রান্ত থেকে চিহিৃত করার কাজ শুরু করা হবে। এ কাজ সম্পন্ন করে এ মাসের শেষ দিকে উচ্ছেদ চালানো হবে অভিযান। সওজের বরিশালের নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয় সুত্রে এ তথ্যে জানা গেছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদ খান এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে পায়রা সমুদ্র পর্যন্ত মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার প্রাক প্রস্ততি হিসাবে সড়কের দুপাশ দখলমুক্ত করা হবে। এরই অংশ হিসাবে বরিশাল জেলার আওতাভূক্ত ভুরঘাটা থেকে লেবুখালী ফেরীঘাট পর্যন্ত মহাসড়কের সওজের অধিগ্রহনকৃত জমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলতি ফেব্রুয়ারীর মধ্যেই শুরু হবে। আজ বুধবার ভূরঘাটা থেকে লাল রং দিয়ে চিহিৃতকরনের কাজ শুরু করা হবে।
সওজ সুত্রে জানা গেছে, লাল রং দিয়ে চিহিৃতকরনের কাজ শেষ হলে দখলদারদের ৭দিন থেকে সর্বোচ্চ ১৫ দিন সময় দেয়া হবে স্বেচ্ছায় স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার জন্য। উচ্ছেদ করার তিনদিন আগে সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাইকিং করা হবে। তবে দখলদারদের কাগজের নোটিশ দেয়া হবেনা। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ফেব্রুয়ারীর শেষ সপ্তাহে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে বলে তিনি জানান।
এ প্রসঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ খান জানান, উচ্ছেদ অভিযান চালাতে জেলা প্রশাসকের কাছে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট চাওয়া হয়েছে। এছাড়া নিজস্ব জনবলও সংগ্রহ চলছে। ফেব্রুয়ারীর মধ্যেই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের ১১ কিলোমিটার রয়েছে বরিশাল মহানগরীর মধ্যে। চারলেন উন্নীত করার জন্য এ ১১ কিলোমিটারে নতুন করে জমি অধিগ্রহন করা হবেনা বলে নিশ্চিত করেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী। তিনি বলেন, চারলেনের জন্য প্রয়োজনীয় ১২০ ফুট প্রশস্ত জমি এগার কিলোমিটারে রয়েছে। ফলে নতুন করে জমি অধিগ্রহন করতে হবেনা। তবে সওজের জমিতে থাকা দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে। নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, কাশীপুর বাজার থেকে সিঅ্যান্ডবি রোড হযে আমতলার মোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটরে ৯৫৭টি অবৈধ স্থাপনা চিহিৃত করে লাল রং দেয়ার কাজ আগেই সম্পন্ন হয়েছে। তারমধ্যে ৭ শতাধিক হচ্ছে আধাপাকা স্থাপনা। বহুতল ভবন পুরোপুরি না থাকলেও সিঅ্যান্ডবি রোডে কিছু কিছু ভবনের আংশিক সওজের জমিতে থাকায় সেগুলো উচ্ছেদ করা হবে।##
২০২০-০২-০৫
