প্রধান শিক্ষককে মারধর করলেন সহকারী শিক্ষক

Spread the love

নাগরিক রিপোর্ট: বরিশাল নগরীর জগদীশ সারস্বাত বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে সহকারী শিক্ষক কাওছার হোসেনের বিরুদ্ধে। রোববার বিদ্যালয়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম। তবে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক কাওছার হোসেন মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়েছে মাত্র।
প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম জানান, কয়েকজন সহকারী শিক্ষক বিদ্যালয়ে কোচিং বানিজ্য করছেন। এতে তিনি বাঁধা দেয়ায় ওই শিক্ষকরা তার বিরোধীতা করে আসছেন। রোববার দুপুরে বিদ্যালয়ে তার দফতরে অব¯’ানকালে সহকারী শিক্ষক মো. কাওছার হোসেন সেখানে গিয়ে তার সঙ্গে বাদানুবাদে লিপ্ত হন। এক পযায়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন সহকারী শিক্ষক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দেয়ার কথা বলেছেন প্রধান শিক্ষক।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী শিক্ষক মো. কাওছাড় হোসেন বলেন, এ বছরের শুরু থেকে বিদ্যালয়ে ক্লাস রুটিন প্রনয়ন করা হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বিঘিœত হ”েছ। শিক্ষকদের দাবীর মুখে রুটিন প্রননয়নের জন্য ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার কমিটি রুটিন প্রনয়ন করলেও প্রধান শিক্ষক সেটি কার্যকর করছেন না। রোববার তিনি (কাওছার) প্রধান শিক্ষকের কাছে গিয়ে রুটিন প্রনয়নের দাবী জানালে তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। তবে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকরা এ বিষয়ে কেউ কিছু বলেননি।
প্রসঙ্গত, জগদীশ সারস্বাত বালিকা বিদ্যালয় বরিশাল নগরির একটি ঐতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম ২০১৭ সালের ১ আগষ্ট যোগদান করার পর শিক্ষকদের একটি গ্রæপের সঙ্গে তার প্রকাশ্যে দ্ব›দ্ব দেখা দেয়। বিরোধীপক্ষ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ রাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে এটির তদন্ত দাবী করছেন। অপরদিকে প্রধান শিক্ষকের দাবী, বেপরোয়া কোচিং বানিজ্য বাঁধা দেয়ায় তার বিরোধীতা করছেন একদল শিক্ষক। এনিয়ে একাধিবার অপ্রীতিকর ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় উভয় পক্ষ পরস্পরের বিরুদ্ধে একাধিক সাধারন ডায়েরী করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *