নাগরিক রিপোর্ট: করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে ঢাকার মানুষ দলে দলে দক্ষিনাঞ্চলে আসছে। ঈদেও এতো মানুষ আসে না। এটি ভয়ের কারন। এমনটা চলতে থাকলে গ্রামগঞ্জে করোনা ভাইরাসের বিস্তৃতি ঘটতে পারে। বুধবার বিকেলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেষ্ট হাউজে বরিশাল বিভাগীয় প্রশাসনের সাথে এক মতবিনিময় শেষে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব:) জাহিদ ফারুক এমপি এসব কথা বলেন। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে কোন মানুষকে রাস্তায় বরদাস্ত করা হবে না। যারা বরিশালের মধ্যে ঢুকে গেছেন তাদের নিরাপদে যার যার গন্তব্যে পৌছার ব্যবস্থা করে দিতে পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল ও এ্যাপোলো হাসপাতালে ৪শ করোনা আক্রান্তকে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। চিকিৎসকদের সকল সরঞ্জামাদিও আসছে। এধরনের রোগীদের মোকাবেলায় তিনি চিকিৎসকদের একটি টিম প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছন শেবাচিম হাসপাতাল পরিচালককে। তিনি ঢাকা থেকে যারা বরিশালে এসেছেন তাদের বাসায় অবস্থান করার আহবান জানান।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ২/১ দিনের মধ্যে বরিশালে কীট পৌছে যাবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নত্তোরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসরা যাতে হাসপাতালে আসেন এবং প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখেন এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন। প্রয়োজনে নিজে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলবেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষকে সচেতন করতে তিনি নিজ উদ্যেগে লিফলেট, মাস্ক ও স্যানিটেজর বিতরণের ব্যবস্থা করেছেন।
বিভাগীয় প্রশাসনের সাথে মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: শাহাবুদ্দিন, জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান, পুলিশ সুপার মো: সাইফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন, শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন, ডিচিএফআই, এনএসআইসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন।
২০২০-০৩-২৫
