নাগরিক রিপোর্ট: ট্রলারে চড়ে বন্ধুর জন্মদিন পালন করতে গিয়ে কীর্তণখোলা নদীতে পড়ে যাওয়া তরুন দিপক দাসের (১৭) লাশ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় দিকে ঘটনাস্থলের অদুরে নদীর তলদেশ থেকে লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরী দল। বেলা ১টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. ফারুক হোসেন।
সোমবার রাত ৮টার দিকে নগরী সংলগ্ন কীর্তণখোলার যমুনা অয়েল ডিপো এলাকায় ট্রলার থেকে পড়ে গিয়ে দিপক দাস নিঁখোজ হয়েছিল। তিনি নগরীর আমানতগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মিন্টু দাসের ছেলে।
সহকারী পরিচালক ফারুক হোসেন জানান, যমুনা অয়েল ডিপোর পন্টুন থেকে প্রায় ২০০ গজ দুরে নদীর তলদেশে দিপক দাশের লাশ পাওয়া গেছে। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে দ্বিতীয় নিঁখোজ তরুনের সন্ধানে অভিযানে নেমেছিল। ডুবরি দলের লিডার গিয়াস উদ্দিন এর নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১২টায় দিপকের লাশ উদ্ধার করে। পরে নিহত দিপকের লাশ পুলিশের উপস্থিতিতে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
দিপকের বন্ধু মো. রিয়াদ জানান, বন্ধুরা তার (রিয়াদ) জন্মদিন পালনের উদ্যোগ নেয়। এ লক্ষ্যে তারা একটি ট্রলার ভাড়া করে রাতে নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্ক সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে বেড়াচ্ছিলেন। রাত ৮টার দিকে কেক কাটেন তারা। এ সময় সকল বন্ধুরা উল্লাসে মেতে ওঠেন। এক পর্যায়ে দ্বীপ নদীতে পড়ে যায়। সে সাঁতার জানতো না। তাৎক্ষনিক তাদের মধ্যে দুইজন বন্ধু নদীতে লাফিয়ে পড়েও দ্বীপকে রক্ষা করতে পারেননি।
প্রসঙ্গত, দিপক দাসসহ প্রায় ১৫ জন বন্ধু আরেক বন্ধুর জন্মদিন পালনের জন্য ট্রলারে ঘুরতে বের হয়। রাত ৮টার দিকে কেক কাটা শেষে ফটো সেশন করার সময় দিপক নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়। দিপকের বন্ধু রিয়াদ জানান, তার জন্মদিন পালন করার জন্য বন্ধুরা ট্রলার ভাড়া করেছিল। দিপক নদীতে পড়ে যাওয়ার পর তাকে উদ্ধারে আরও দুই বন্ধু নদীতে ঝাপিয়ে পড়লেও তাকে রক্ষা করতে পারেননি। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল রাত ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালালেও ওই রাতে তারা দিপকের সন্ধান পায়নি।
