বাংলাওয়াশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ

Spread the love

নাগরিক রিপোর্ট:
ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ফলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেয়েছে তামিম বাহিনী। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ১১ বছর পর আবারও ক্যারিবীয়দের বাংলাওয়াশ করেছে টাইগাররা। এর আগে ২০০৯ সালের উইন্ডিজ সফরে এমন কীর্তি গড়েছিল লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

বাংলাদেশের দেয়া ২৯৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭৭ রানে অল আউট হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে ১২০ রানে জয় পেয়েছে তামিম ইকবালের দল।

উইন্ডিজের হয়ে ইনিংস উদ্বোধন করতে নামেন জর্ন ওটলি ও সুনীল আমব্রিস। মুস্তাফিজের বলে মুশফিকুর রহিমের ক্যাচ হয়ে মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওটলি। প্রতিরোধের সম্ভাবনা জাগালেও অপর ওপেনার আমব্রিস ১৩ রানের বেশি করতে পারেননি। দ্য ফিজ তাকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন।

এরপর ১১ রান করা কাইল মেয়ার্সকে সাজঘরে ফেরান কাইল মেয়ার্স। ফিটনেস টেস্টে পাশ করে দলে সুযোগ পাওয়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ফেরান জেসন মোহাম্মদকে। ক্যারিবীয় অধিনায়ক করেন ১৭ রান। ক্রুমাহ বোনারকেও ফেরান এই অলরাউন্ডার।

টাইগারদের বোলিং তোপে রোভম্যান পাওয়েল ছাড়া আর কেউই বড় স্কোর করতে পারেননি। তিনি করেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৭ রান। এছাড়া রেইমন রেইফার করেন ২৭ রান। ৪৪.২ ওভারে অল আউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। এছাড়া মুস্তাফিজুর রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ দুটি করে উইকেট নেন।

এর আগে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় ম্যাচটি শুরু হয়। টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদ। ফলে রান তাড়া করে প্রথম দুই ম্যাচ জেতা বাংলাদেশ এ ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নামে।

বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে আলঝারি জোসেফের বলে লেগ বিফোরের শিকার হন লিটন। কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। নাজমুল হোসেন শান্ত এ ম্যাচেও ব্যাট হাতে বেশি কিছু করতে পারেননি। ৩০ বলে ২০ রান করে কাইল মেয়ার্সের কাছে পরাস্ত হন এ ব্যাটসম্যান।

৭০ বলে ফিফটি পূরণ করেন তামিম। ৮০ বলে ৬৪ রান করে জোসেফের শিকারে পরিণত হন টাইগার অধিনায়ক। এরপর দেখেশুনে খেলে অর্ধশতক পুরণ করেন সাকিব আল হাসান। ৭৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন টাইগার অলরাউন্ডার। দীর্ঘ ৫৭১ দিন আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে ফিফটির দেখা পাওয়া সাকিব ফেরেন ৫১ করে।

প্রথম দুজন ধীরগতিতে ফিফটি করলেও মুশফিকুর রহিন ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ছিলেন বেশ আক্রমণাত্মক। সাজঘরে ফেরার আগে ৫৫ বলে ৬৪ রান করেন মুশফিক। শেষ ওভারে ফিফটি করা রিয়াদ অপরাজিত থাকেন ৬৪ রানে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *