নাগরিক রিপোর্ট: বরিশালের গৌরনদী পৌর নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী জহির সাজ্জাদ হান্নান শরীফ লাঞ্চিতর শিকার হওয়ার পরপরই নানা অভিযোগ এনে ভোট বর্জনের ঘোষনা দিয়েছেন। শনিবার দুপুর আড়াইটায় নির্বাচনী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ভোট বর্জনের পাশাপাশি নির্বাচন বাতিল করে নতুন করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার প্রতি আহবান জানান।
বিএনপির মেয়র প্রার্থী জহির সাজ্জাদ হান্নান শরীফ সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে কেন্দ্র দখল, এজেন্ট বের করে দেয়া, ভোটারদের কাছ থেকে ব্যালট কেড়ে নিয়ে নৌকা প্রতিকে সিল দেয়া, নিজেকে লাঞ্চিত করাসহ নানা অভিযোগ তুলে ধরেন।
এর আগে সকালে বিএনপি প্রার্থী হান্নান শরিফ ৫টি অভিযোগ এনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৃথক ৫টি লিখিত অভিযোগ করেন। এগুলো হচ্ছে- বিএনপি প্রার্থীকে ঢুকতে বাধা ও শারিরিকভাবে লাঞ্চিত করা, নৌকার এজেন্ট দ্বারা বিএনপির এজেন্ট অবরুদ্ধ, প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক বিএনপির এজেন্টেকে ঢুকতে বাধা, ৬ নং ওয়ার্ডে অনিয়ম ও জবরদখল এবং ৯ নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রে গুরুতর অনিয়ম।
বিএনপির মেয়র প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এস এম মাসুদ রানা বলেন, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় মেয়র প্রার্থী জহির সাজ্জাদ হান্নান শরীফকে পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের গৌরনদী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও গৌরনদী পাইল্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে একদল আ’লীগ সমর্থকরা লাঞ্চিত করে।

জানতে চাইলে গৌরনদী পৌর নির্বাচনে আ’লীগের মেয়র প্রার্থী হারিছুর রহমান হারিছ বলেন, তার প্রতিদ্বন্দী বিএনপি প্রার্থীর ভোট বর্জনের খবর জানা নেই। তবে তার ধারনা বিএনপি প্রার্থী নিশ্চিত পরাজয় জেনে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন। বিএনপি প্রার্থী হান্নান শরিফকে লাঞ্চিত করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এরকম কোন ঘটনার প্রমান পাওয়া যায়নি।
এব্যাপারে গৌরনদী সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান তালুকদার বলেন, বিএনপি প্রার্থীর ভোট বর্জনের খবর তিনি পাননি। তবে তার অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখেছেন। সংশ্লিস্টরা এর সত্যতা পাননি।

