নাগরিক রিপোর্ট: বরিশালের গৌরনদী পৌর নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী জহির সাজ্জাদ হান্নান শরীফকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। তাকে প্রিজাইডিং অফিসারের সামনে কেন্দ্রে থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়া হয়েছে। নির্বাচনী এলাকার অধিকাংশ কেন্দ্রে মেয়র পদের ব্যালট নৌকার পক্ষে দিতে বাধ্য করার অভিযোগও উঠেছে। এসব কারনে বিএনপি প্রার্থী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ৫টি অভিযোগ দিয়েছেন। এদিকে কেন্দ্রগুলোতে কাউন্সিলর প্রার্থীদের স্বতস্ফুর্ত দেখা গেছে। ভোটার সংখ্যা সকালে বেশি থাকলেও দুপুরে তা কমে আসে।
মেয়র প্রার্থী জহির সাজ্জাদ হান্নান বলেন, ‘গৌরনদী পাইলট বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুইটি ছেলে আমাকে রুম থেকে বের করে দিয়েছে। এই যে কাজটা করলো। আপনি এখানে (প্রিজাইডিং অফিসার) দায়িত্বরত তারপরেও কেমন করে হয়।’
জানা গেছে, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিএনপি মেয়র প্রার্থী জহির সাজ্জাদ হান্নান শরীফ কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে লাঞ্চিত করে আ’লীগের কর্মীরা। পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের গৌরনদী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও গৌরনদী পাইল্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে একদল আ’লীগ সমর্থক এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এসময় পুলিশ নির্বিকার ভূমিকা পালন করে।
এসব অভিযোগ এনে বিএনপি প্রার্থী হান্নান শরিফ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মোট ৫টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। এগুলো হচ্ছে- বিএনপি প্রার্থীকে ঢুকতে বাধা ও শারিরিকভাবে লাঞ্চিত করা, নৌকার এজেন্ট দ্বারা বিএনপির এজেন্ট অবরুদ্ধ, প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক বিএনপির এজেন্টেকে ঢুকতে বাধা, ৬ নং ওয়ার্ডে অনিয়ম ও জবরদখল, ৯ নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রে গুরুতর অনিয়ম।
বিএনপির মেয়র প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এস এম মাসুদ রানা বলেন, সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাদের এজেন্ট বের করে দেয়া হয়েছে। কোন কোন কেন্দ্রের এজেন্টেকে অবরুদ্ধ করে ভোটে কারচুপি করা হয়েছে। দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেড ও পুলিকে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
এব্যাপারে গৌরনদী সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান তালুকদার বলেন, বিএনপি প্রার্থীর অভিযোগ পেয়েছেন। এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

