নাগরিক রিপোর্ট : ইয়াস এর প্রভাবে আজও ভোলার মেঘনা তেঁতুলিয়া নদী উত্তাল রয়েছে। বিপদ সীমার প্রায় ৫০ সে.মি উপর দিয়ে মেঘনায় জোয়ারের পানি প্রবাহিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া ধমকা বাতাসের গতিও অব্যহত থাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এদিকে ঝড়ে গাছচাপা পড়ে লালমোহনে আবু তাহের (৪৮) নামের এক কৃষক মারা গেছে। ঢেউয়ের আঘাতে সাগর কূলের ঢালচরসহ বিছিন্ন চরাঞ্চলে শতাধিক কাঁচাঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে দুপরের জোয়ারের তীব্র আঘাতে মনপুরা কুলাগাজির তালুক নামক স্থান দিয়ে বাঁধ ছুটে একটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের জোয়ারের আঘাতে চরফ্যাসনের ঢালচরে ৩০টি মাছের আড়ত সহ অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধস্ত হয়েছে। পাশ্ববর্তী চর পাতিলায় শতাধিক কাঁচ াঘরের ভিটির মাটি ভেসে গেছে। এছাড়া চর ও বাঁধের বাইরের এলাকার জোয়ারে তলিয়ে থাকা বাসিন্দারা দুর্ভোগে রয়েছে।
এদিকে গতরাতে লালমোহন উপজেলার চর ছকিনা গ্রামের গাছচাপা পড়ে আবু তাহের নামের এক কৃষক মারা যায়। নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, রাত ১০ টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে ঘরের বাইরে আসলে তিনি গাছচাপা পড়েন। অসুস্থ অবস্থা তাকে প্রথমে লালমোহন হাসপাতাল ও অববস্থার অবনতি হওয়ায় পরে ভোলা সদর হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার জয়ন্ত সাহা মৃত্যুর বষয়টি নিশ্চিত করেছেন। লালমোহন উপজেলা পরিষদের কন্টোলরুম থেকেই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
অপরদিকে মনপুরা উপজেলা নির্বাহী অফিমার মো.শামিম মিঞা জানান, দুপুরে জোয়ারের আঘাতে মনপুরার কুলাগাজির তালুক গ্রামের লঞ্চঘাট এলাকায় দিয়ে বাঁধ ছুটে গেছে। ভাটার সময় ছুটে যাওয়া বাঁধ পুননির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে স্থানীয়রা জানিয়েছে প্রায় ৫০ ফুট বাঁধ ছুটে গেছে। এছাড়া উপজেলা সদর এলাকায় বাঁধের উপর দিয়ে জোয়ার গড়িয়ে লোকালয়ে ঢুকেছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় আরও ৫টি স্থান দিয়ে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় নি।

Your writing creates lively pictures in my mind. I can visualize every detail you describe.
This post has reinforced my belief in the power of learning from others.