নাগরিক রিপোর্ট : চট্রগ্রাম-বরিশাল নৌপথে ১২ বছরের বন্ধাত্বের অবশেষে অবসান হলো। এ রুটে রাষ্ট্রীয় নৌপরিবহন বিআইডব্লিউটিসির নিয়মিত যাত্রীবাহি জাহাজ চালুর আগে পরীক্ষামুলকভাবে ‘এম.ভি তাজউদ্দিন আহমেদ’ নামক একটি জাহাজ শুক্রবার ভোর ৫টায় বরিশালে পৌছেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় সেটি চট্রগ্রাম থেকে রওনা হয়েছিল। সাগর ও নদী পেরিয়ে ২০ ঘন্টা পর সেটি বরিশালে পৌছে। শুক্রবার রাত ১০টায় জাহাজটি পূনরায় চট্রগ্রামে উদ্দেশ্যে বরিশাল ত্যাগ করেছে। এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বিআইডব্লিউটিসির বরিশাল কার্যালয়ের উপ মহাব্যবস্থাপক কেএম এমরান। বিআইডব্লিউটিসি প্রথমে ধারনা দিয়েছিল, ১২ থেকে ১৪ ঘন্টার মধ্যে এ রুটের জাহাজ বিপরীত গন্তব্যে পৌছতে পারবে।
চট্রগাম থেকে বরিশাল পৌছতে ২০ ঘন্টা সময় লাগার কারন প্রসঙ্গে উপ মহাব্যবস্থাপক কে এম এমরান বলেন, ভাটার সময়ে পয়েন্টে নাব্য সংকট ছিল। যে কারনে জাহাজটি ধীর গতিতে চলতে হয়েছে। তিনি আরও জানান, পরীক্ষামুলক যাত্রা হওয়ায় বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অতিথি যাত্রী হয়ে বরিশালে এসেছেন। যাত্রী ভাড়া এখনও নির্ধারিত হয়নি। খুব শিগগিরিই নিয়মিত জাহাজ শুরুর আগে ভাড়া নির্ধারিত হবে।
বিআইডব্লিউটিসি থেকে আগে জানানো হয়েছিল, পরীক্ষামুলক যাত্রায় ‘এম.ভি বার আউলিয়া’ জাহাজ চট্রগ্রাম থেকে বরিশালে আসবে। সেটি না এসে ‘এম.ভি তাজউদ্দিন আহমেদ’ নামক জাহাজ আসা প্রসঙ্গে উপ মহাব্যবস্থাপক কে এম এমরান বলেন, এটা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৬৪ সালে বরিশাল-চট্র্রগ্রাম রুটে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছিল। লোকসানের অজুহাতে ২০০৯ সালে এ সার্ভিস বন্ধ করে দেয়া হয়। ##
২০২১-১২-০৩
