নাগরকি রিপোর্ট ॥ রাত পোহালইে সোমবার মেহেন্দিগঞ্জ উপজলো পরিষদ নির্বাচন। নৌকার প্রার্থী অ্যাডভোকটে মুনসুর আহমদে অভিযোগ করছেনে, তাকে পরাজিত করতে দলরে নেতাকর্মীদেরে নিয়ে মাঠে নেমেছেনে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবেক লীগের কেন্দীয় সাধারন সম্পাদক পংকজ দেবনাথ। রোববার দুপুরে বরিশাল রিপোর্টস ইউনটিতিে এক সাংবাদ সম্মলেন করে এ অভিযোগ করেন। র্প্রাথী মুনসুর আহমদে অভিযোগ করছেনে, পংকজ নাথ এমপরি নির্দেশে আওয়ামীলীগ স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা তার বিরোধীতা করে এক স্বতন্ত্র র্প্রাথীর নির্বাচন করছেন। গত র্মাচে অনুষ্ঠিত পাশের উপজলো হিজলার নির্বাচনেও একইভাবে নৌকাকে পরাজতি করে স্বতন্ত্র র্প্রাথীকে বিজয়ী করা হয়।
এ উপজলোয় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বত্ন্দিতা করছনে ৬ জন। অ্যাডভোকটে মুনসুর ছাড়া অপর র্প্রাথীরা হলনে– স্বতন্ত্র র্প্রাথী আন্ধারমানকি ইউনযি়ন আওয়ামীলীগের বহিস্কৃত সভাপতি মাহফুজ আলম (ঘোড়া), কাজীরহাট থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক মশিউর রহমান পলাশ (আনারস), রফিকুল ইসলাম (দোয়াত–কলম), বিএনপি মনোনীত গোলাম ওয়াহিদ (ধানরে শীষ) ও জাতীয় র্পাটি মনোনীত হানিফ মিয়া (লাঙ্গল)।
স্থানীয় সুত্রগুলো জানিয়েছে, নৌকার সঙ্গে ভোটরে মাঠে আছে আনারস, ধানরে শীষ ও লাঙ্গল প্রতীক। আওয়ামীলীগের ইউনযি়ন ও ওযার্ড র্পযায়ের প্রায় সব নেতাকমী বহিস্কৃত নেতা মাহফুজ আলমরে ঘোড়া প্রতীককের পক্ষে কাজ করছেন। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড র্পযায়ে আওয়ামীলীগ অফিসগুলো ঘোড়া প্রতীকের নির্বাচনী কমর্ীদের দখল। উপজলোর কোথাও নৌকা প্রতীকরে ব্যানার ফেষ্টুনও নেই। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রাথীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগে আওয়ামীলীগ থেকে বহিস্কৃত মাহফুজ আলম এবার নিজেই র্প্রাথী হয়েছেন।
নৌকার র্প্রাথী র্বতমান চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক অ্যাডভোকট মুনসুর আহমদে সংবাদ সম্মলেনে অভিযোগ করেন, এমপি পংকজ নাথ নৌকার বিপক্ষে দাঁড় করিয়েছেন আওয়ামীলীগ থেকে বহিস্কৃত উপজলোর আন্ধারমানিক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলমক। প্রচার-প্রচারনা মিছিলসহ সব নির্বাচনী র্কমকান্ডে মাহফুজের ঘোড়া প্রতীকের পক্ষে কাজ করছেন এমপি পংকজের লোকজন। মেহেন্দিগঞ্জর কোথাও নৌকা প্রতীকের পোষ্টার-ব্যানার লাগাতে দেয়া হয়নি। দলে অনুপ্রবশেকারীদরে দিয়ে নৌকার র্কমী সর্মথকদের মাঠ ছাড়া করা হয়ছে। এমপির লোকজনের হামলা-মামলার ভয়ে নৌকার কমীরা এলাকায় থাকতে পারছনে না।
সাংবাদিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকটে তালুকদার মো. ইউনুস অভিযোগ করেন, দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রাথর্ীকে পরাজতি করতে এমপি পংকজ নাথ ও তার অনুসারীরা সব ধরনরে নীল নকশা করে রেখেছেন। তবে মুনসুর আহমদে সাংবাদকিদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, তিনি শেষ র্পযন্ত ভোটরে মাঠে থাকবনে।
নৌকা প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমম্বয়কারী ও মেহেন্দিগঞ্জ আ্ওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব কামাল উদ্দিন খান বলেন, নৌকার র্প্রাথী অ্যাডভোকটে মুনসুর আহমেদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ নইে। মনোনয়পত্র দাখিলের পর বেশীরভাগ সময় এলাকায় আসেননি। আসলওে আমাদরে সঙ্গে যোগাযোগ করনে না। নির্বাচনী খরচও দেননি।
এদিকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনরে সংসদ সদস্য পংকজ দেবনাথ সাংবাদিক সম্মলেনে করা অভিযোগ মনগড়া ও মিথ্যা দাবী করে গণমাধ্যমকে বলছেনে, জেলা আওয়ামীলীগের কিছু নেতা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছনে। টাকা খেয়ে তারা দূর্বল প্রাথী মনোনয়ন দেন। হেরে গেলে এমপির (পংকজ) দোষ দেন। এটা তাদের পুরানো অভ্যাস।
প্রসঙ্গত, বরিশাল– ৪ (মেহেন্দিগঞ্জ–হিজলা) আসনের আওতাধীন হিজলা উপজেলায় গত র্মাচে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দলের বিদ্রোহী র্প্রাথী বেলায়েত হোসেন ঢালীর কাছে পরাজিত হন নৌকা প্রতীকরে র্প্রাথী সুলতান মাহমুদ টিপু। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬টি ইউনিয়নে বিদ্রোহিলা প্রতদ্বিন্দ্বতিা করে। তার মধ্যে ৫ ইউনিয়নে নৌকার র্প্রাথীদরে পরাজিত করে বিজয়ী হন বিদ্রোহীরা। তারা সকলে স্থানীয় সংসদ পংকজ দেবনাথের অনুসারী বলে স্থানীয় সুত্র জানায়।##
২০১৯-১০-১৩
