বন্ধুদের সঙ্গে বাঁজি ধরে বরিশাল দূর্গাসাগরের দীঘিতে সাতার কাটতে গিয়ে ডুবে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র হৃদয় আহমেদ হৃদয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল বুধবার রাত ৯টায় দীঘির তলদেশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। তার আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সে দিঘীতে ডুবে গিয়েছিল। বন্ধু ও বান্ধবী নিয়ে ঘুরতে গিয়ে বরিশাল নগরী থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে পর্যটনস্পট মাধবপাশার দূর্গাসাগরের দীঘিতে সাতার কাটতে নেমেছিল হৃদয় আহমেদ।
তিনি বরিশাল নগরীর নগরীর কাউনিয়া হাউজিং এলাকার মো. শাহআলম এর ছেলে এবং ঢাকা আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। বন্ধু একই এলাকার হৃদয় খান এবং বান্ধবী মুলাদী উপজেলার কলেজছাত্রী রাকিনকে নিয়ে দূর্গাসাগরে ঘুরতে গিয়েছিলেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম জাহিদ বিন আলম এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দূঘটনার পর পর প্রশাসনের উপস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
দূর্গাসাগরে দায়িত্বরত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মচারী মো. অলি জানান, ২ তরুন ও ১ তরুনী গতকাল সকালে একসঙ্গে দূর্গাসাগরে ঘুরতে আসে। তারা দিঘীর দক্ষিণ পাড়ে অবস্থান নেয়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দুই তরুন-তরুনী এসে জানায়, তাদের সঙ্গে থাকা হৃদয় আহমেদ সাতরে দিঘীর মাঝখানে থাকা দ্বীপে যাচ্ছিল। এখন তাকে পাওয়া যাচ্ছেনা। মো. অলি বলেন, এ খবর জেনে অন্যন্য কর্মচারীরা নৌকা নিয়ে দ্বীপে পৌছে তার সন্ধান পায়নি। ধারনা করা হচ্ছে, দ্বীপে পৌছার আগেই তার সলিল সমাধি ঘটেছে।
তরুন-তরুনীর বক্তব্যের বরাত দিয়ে মো. অলি বলেন, হৃদয় তার সঙ্গীদের সঙ্গে ২০০ টাকার বাঁজি ধরেছিল, সে সাঁতার কেটে দিঘীর মাঝে থাকা দ্বীপে পৌছবে। এরপর সে প্যান্ট-সার্ট খুলে লুঙ্গী পড়ে দক্ষিণ পাড় থেকে সাতার কাটা শুরু করে। পাড় থেকে দিঘীর দুরত্বের ৫ ভাগের ৩ ভাগ সাতার কাটার পরই তাকে দেখতে পাচ্ছিলনা সঙ্গে থাকা তরুন-তরুনী। প্রথমে তারা ধারনা করেছিল হৃদয় সাঁতার কেটে দ্বীপে পৌছে গেছে।##
