লঞ্চে সংঘর্ষ: গর্ভের সন্তানসহ লাশ হলেন বাকেরগঞ্জের মাহমুদা

Spread the love

নাগরিক রিপোর্ট: ঘন কুয়াশায় মেঘনা নদীতে যাত্রীবাহী দুই লঞ্চের সংঘর্ষে বরিশালের বাকেরগঞ্জের মা ও শিশু পুত্র নিহত হয়েছে। নিহত মা গর্ভবতী ছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে উভয় লঞ্চের কমপক্ষে ৮জন। রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে বরিশাল ও চাঁদপুরের মোহনা মেঘনা নদীর নামারচর নামক স্থানে এমভি কীর্তনখোলা-১০ এবং এমভি ফারহান-৯ লঞ্চে এ সংঘর্ষ ঘটে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, নিহতরা হচ্ছে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুরিয়া ইউনিয়নের ভান্ডারিকাঠি গ্রামের রুবেল খান আব্বাসের স্ত্রী মাহমুদা (২৪) ও তার শিশু পুত্র মুমিন (৭)। গারুরিয়ার স্কুল শিক্ষক বাবু খান বলেন, আব্বাস তার প্রতিবেশী। তিনি একজন মাইক্রো চালক। তার স্ত্রী গর্ভবতি ছিলেন। কীর্তনখোলা-১০ এ আহতদের চাঁদপুর নামিয়ে দিয়ে লাশ নিয়ে সদরঘাটে আসছে। লঞ্চে স্ত্রী-সন্তানদের সাথে থাকা আব্বাস তাকে ফোনে রাত দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনার খবর জানান।
এমভি কীর্তনখোলা-১০ এর মাস্টার নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে হুলারহাটগামী ফারহান লঞ্চটি কুয়াশার মধ্যে কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে লঞ্চের নীচতলা ও দোতলার অংশ দুমড়ে মুচরে যায়। এ ঘটনায় কম পক্ষে ২জন যাত্রী নিহত হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। এমভি কীর্তনখোলার ব্যবস্থাপক বেল্লাল হোসেন বলেন, ফারহান-৯ লঞ্চে কুয়াশা নির্নয়ের কোন যন্ত্রপাতি না থাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
চাঁদপুর নৌ-পুলিশের ওসি আবু তাহের জানিয়েছেন, লঞ্চের স্টাফরা ঠিক কোথায় দুর্ঘটনা ঘটেছে তা বলতে পারছে না। সংঘর্ষে ২ জন নিহত হওয়ার খবর জানা গেছে। যাত্রীরা জানিয়েছেন, ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে চাঁদপুরে আহতদের নামিয়ে চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য সহায়তা চাওয়া হয়েছে। লঞ্চটি চাঁদপুরের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
এমভি ফারহান-৯ এর কেরানী আল আমিন জানান, কুয়াশার কারনে লঞ্চটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে লঞ্চের সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *