ভালবাসা দিবস: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি

Spread the love

সৈয়দ জুয়েল: ভালবাসার রং ও রকম প্রকারভেদের উপর অনেকটা নির্ভর করে। দৃস্টি ভঙ্গীর উপরও এর দায়ভার চাপানো যায় খানিকটা। তথ্য প্রযুক্তির আধুনিকায়ন যুগের ভালবাসা আর মেনুয়াল যুগের ভালবাসার মাঝে ঘটেছে বিস্তর ফারাক। প্রযুক্তি যতই আধুনিক হচ্ছে ভালবাসার মাঝে ততই অশ্লীলতা ঢুকে মহামারির রুপ নিচ্ছে। একটা সোনালী যুগ ছিলো যখন ভালবাসার প্রেমিক মানুষটি যে রাস্তায় হেঁটে বেড়াত, সেই পথে ঘরের জানালায় লুকিয়ে অপেক্ষার, একটু দেখার, একটু তার পায়ের শব্দ শোনার, একটু হাসির আলো, এতেই তৃপ্ত হত প্রেমিকার মনের আলোয় ঝরা ভালবাসা।
সোনালী ভালবাসার মাঝে এখন প্রাপ্তির ঝুড়িতে হারানোর ভয়ের আলো আঁধারের লুকোচুরির খেলা। গহীন বালুচরে আটকে যাচ্ছে সুখের স্পর্শের বিশ্বাসের সবটুকু জায়গা। মনের গভীরের ভালবাসা প্রকাশের জন্য আলাদা কোন দিন ঘটা করে পালনের যৌক্তিক কোন কারন না থাকলেও এগিয়ে যাচ্ছে এ অপ সংস্কৃতি। ভালবাসার মানুষের হাতে হাত রেখে কথা বলা,চোখে চোখ রেখে তার হাসির সাথে কথা বলার জন্য আলাদা কোন দিন পালনে শুদ্ধ ভালবাসার পরিচয় বহন করে কি না, সে কঠিন তত্ব বিশ্লেষনের দায়ভার তাদেরই-যারা ভালবাসাকে নিয়ে এসেছেন উগ্রতার দূয়ারে।
উগ্রতা ভালবাসার মত পবিত্র সম্পর্ককে করেছে ক্ষত বিক্ষত। এ থেকে উত্তরনেরও পথও সহজে বের হবে কি না তা নিয়েও আছে যথেস্ট সংশয়। ১৪ই ফেব্রæয়ারিতে পরিবার সহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগে রাস্তায় অথবা পার্কে গিয়ে যদি বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরতে হয়-তবে সে ভালবাসা দিবস নয়। ভালবাসা দিবস হবে নির্মল শিশির বিন্দুর মত, জোৎস্নার আলোর মত বিস্তৃত। যা দেখে বা অনুভবে প্রশান্তির বর্ষায় প্লাবিত হবে হ্রদয়ের এ কুল ও কুল। সদ্য ফোটা ফুলের যে রুপ, গন্ধ, শুভ্রতা। সেই শুভ্রতায় পবিত্র হোক ভালবাসার আাকাশের প্রতিটি দ্রবতারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *