গলাচিপায় যুবলীগের হামলা পুলিশ-সাংবাদিক সহ আহত ১০

Spread the love

নাগরিক রিপোর্ট : পটুয়াখালীর গলাচিপায় যুবলীগের হামলায় ৮ পুলিশ সদস্য ও ২ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। রোববার রাতে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতির নের্তৃত্বে এ হামলা চালানো হয়। পাওনা টাকা আদায় নিয়ে যুবলীগের দুপক্ষের বিরোধ থামাতে গিয়ে পুলিশ এ হামলার শিকার হয় বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘঁনার মুল হোতা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতিসহ ৪ জনকে গেস্খফতার করেছে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (গলাচিপা সার্কেল) মো. ফারুক হোসেন জানান, পাওনা টাকার দাবীতে রোববার রাতে গলাচিপা থেকে ৭-৮ জন যুবক রতনদী তালতলী এলাকার শহীদুল মোল্লা জাহিদকে অপহরণ করতে গেলে সেখানে থমথমে পরিস্থিতির তৈরি হয়। খবর পেয়ে গলাচিপা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় দুপক্ষকে থানায় যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে পুলিশ সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ জটলা পাকাতে নিষেধ করে।
তিনি বলেন, এতে স্থানীয় যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ খলিফা ও তার বাহিনী পুলিশ সদস্যদের ওপর চড়াও হয়। পুলিশ সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে পাশের ইউনিয়ন পরিষদে আশ্রয় নিলে সেখানে রিয়াজের নের্তৃত্বে তার দলের লোকজন আবার পুলিশের হামলা চালায়। এ সময় আটজন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন। পুলিশ সদস্যদের ইউপি কার্যালয়ে আটকে রেখে বাইরে পাহারা বসায় হামলাকারীরা।
পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান, পরে খবর পেয়ে গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা তাদের ওপরও একই কায়দায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালান। এ সময় তারা পুলিশের পিকআপ ভ্যানের গ্লাস ও তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন। এছাড়া ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে মাইটিভির গলাচিপা প্রতিনিধি সাইদ হাসান এলাহি ও এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি সাব্বির আহমেদ ইমন আহত হন।
পরে, ঘটনাস্থল থেকে মূলহোতা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ খলিফাসহ, হামলাকারী খোকন, শাহরিয়ার সিফাত ও রাসেদ খানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় গলাচিপা থানায় পুলিশ ও সাংবাদিক বাদী হয়ে পৃথক মামলা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *