বাবুগঞ্জের সেই চাল চোর চেয়ারম্যান বরখাস্ত

Spread the love

নাগরিক রিপোর্ট: শেষ রক্ষা হলো না বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: নূরে আলম বেপারীর। নিজ বাড়িতে ১৮৪ বস্তা সরকারী চাল পাওয়ার দায়ে বৃহস্পতিবার তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবয় মন্ত্রনালয়। মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব মোহাম্মদ ইফতেখার ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদিকে চাল চুরির দায়ে চেয়ারম্যান বরখাস্ত হওয়ায় ওই এলাকার জনগন ও জনপ্রতিনিধি সস্তি প্রকাশ করেছেন।
মন্ত্রনালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বরিশাল জেলার ২নং কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: নূরে আলম বেপারী জাটকা নিধনে বিরত থাকা জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত ১৮৪ বস্তা সরকারী চাল আতœসাত পূর্বক কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজ বাড়িতে মজুদ করে। সরকার মনে করে মো: নূরে আলম বেপারীর এহেন অপরাধের কারনে তার দ্বারা সংশ্নিস্ট ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগ সমীচীন নয়।
উদ্ভুত অভিযোগের ভিত্তিতে কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: নূরে আলম বেপারীকে স্থানীয় সরকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী তাকে স্বীয় পদ থেকে বরখাস্ত করা হলো বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ইদ্রিস কবিরাজ বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, চাল চোর চেয়ারম্যান নূরে আলম বরখাস্ত হওয়ায় জনগন বেশ খুশি। সরকারী চাল আতœসাতকারীর পক্ষে যারা আছেন তাদের জনগান ক্ষমা করবে না। একই ধরনের মন্তব্য করেছেন কেদারপুরের একাধিক ইউপি সদস্য ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
প্রসঙ্গত, গত ১৬ এপ্রিল রাতে কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: নূরে আলম বেপারীর নিজ বাড়ি থেকে ১৮৪ বস্তা চাল উদ্ধার করে র‌্যাব। ওই ঘটনায় চেয়ারম্যানকে রক্ষায় একটি প্রভাবশালী মহল তৎপর হয়ে ওঠে। এর ফলে কেদারপুরের জনগন ক্ষুব্দ ও বিস্মিত হন। অবশেষে নানা নাটকিয়তার ৭ দিন পর বরখাস্ত হলো চাল চোর ইউপি চেয়ারম্যান মো: নূরে আলম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *