নাগরিক রিপোর্ট: বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) সিনিয়র স্টাফ নার্স মোস্তাফিজুর রহমানকে কারন দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর। দপ্তরটির পরিচালক (শৃংখলা) উপ সচিব শোভা শাহনাজ সাক্ষরিত শোকজ নোটিশটি গত সপ্তাহে হাসপাতালের পরিচালক পেয়েছেন। নোটিশে স্টাফ নার্স মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী, ওষুধ চুরি, মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নার্সিং সুপারভাইজার হওয়া, সাধারন নার্সদের মতামত ছাড়াই স্বনাপ সভাপতির পদ দখল করা সহ নানা অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। এদিকে কারন দর্শানো থেকে নেতাকে রক্ষায় হাসপাতালের সাধারন নার্সদের কাছ থেকে জোর পূর্বক স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ উঠেছে মোস্তাফিজ ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে।
এ প্রসঙ্গে শেবাচিম হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ও স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের (স্বনাপ) সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তিনি কারন দর্শানোর নোটিশ পেয়েছেন, এখনও জবাব দেননি। তার দাবী যেসব অভিযোগ করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছুই জানেন না। তিনি পরিচালককেও বিষয়টি জানিয়েছেন। নার্সদের কাছ থেকে তার পক্ষে সাক্ষর নেয়া প্রসঙ্গে মোস্তাফিজ বলেন, তিনি ছুটিতে আছেন। কারা সাক্ষর নিচ্ছেন তা জানা নেই।
শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেবা তত্বাবধায়ক সেলিনা আক্তার বলেন গত ১৪ ডিসেম্বর সিনিয়র স্টাফ নার্স মোস্তাফিজুর রহমানকে শোকজের চিঠি তিনি পেয়েছেন। ৭ দিনের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এতে মোস্তাফিজুর এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনা হয়েছে। স্টাফ নার্স মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।
এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের একাধিক নার্স অভিযোগ করেছেন, শোকজ থেকে স্বনাপ সভাপতিকে রক্ষায় গত বৃহস্পতিবার থেকে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে সাধারন নার্সদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেয়া হচ্ছে। যারা না দিতে চায় তাদের হুমকি দেয়া হয়েছে। এই স্বাক্ষর নেয়ার সাথে জড়িত হাসপাতালের নার্স জেসমিন, সালমা, শাহিনা, কবিতা বিশ্বাস সহ বেশ কয়েকজন। তারা সকলে সিনিয়র স্টাফ নার্স মোস্তাফিজের অনুসারী বলে জানা গেছে। সাধারন নার্সরা অভিযোগ করেছেন, মোস্তাফিজ তাদের মতামত ছাড়াই স্বনাপ সভাপতি হয়েছেন। এর ফলে তার অনুসারী নার্সরা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। তাদের অনেকেই দায়িত্ব পালন সঠিকভাবে করছেন না।
জানতে চাইলে হাসপাতালের স্টাফ নার্স জেসমিন আক্তার বলেন, শোকেজে যে অভিযোগ মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে তা ভুয়া। সভাপতি হিসেবে তার বিরুদ্ধে হাজারো অভিযোগ থাকতেই পারে। তিনি বলেন, শোকজ থেকে রেহাই পেতে মোস্তাফিজের পক্ষে কোন সাক্ষর নার্সদের কাছ থেকে তিনি নেননি।
এব্যপারে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা: বাকির হোসেন বলেন, তিনি সিনিয়র স্টাফ নার্স মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে শোকজের চিঠি পেয়েছেন। এ বিষয়ে তার কাছ থেকে কোন মতামত চাওয়া হয়নি। নার্সদের মধ্যে ভেতরগত গ্রæপিং এর কারনে এমনটা হতে পারে বলে মনে করেন পরিচালক ডা: বাকির।

Your words evoke colorful imagery in my mind. I imagine every detail you depict.
The writing style is amazing, I liked every bit of it.
Caan yoou teell uus moe aabout this? I’d
want too fnd ouut more details.
Review myy age xnxx18.pro