সৈয়দ জুয়েল:
আলোকিত মানুষ তৈরিতে বইয়ের বিকল্প নেই। একটি বই একটি মানুষের জীবনকে পুরোপুরি বদলে দিতে পারে, আনতে পারে পুরো সমাজ ব্যাবস্থায় পরিবর্তন। তাই একটি বইমেলার আয়োজন মানে একটি সুন্দর সুস্থ সমাজ গঠনের আয়োজন।
তারই হাত ধরে গত বছর সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান সহ একদল অভিজ্ঞ ও সংস্কৃতিমনা মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রমে- আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে প্রথম বারের মত আয়োজন করা হয়েছিলো একুশে বইমেলা। প্রায় প্রতিটি কাউন্টি থেকে বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে এ মেলা হয়ে উঠেছিলো প্রানবন্ত এক মিলন মেলা। এ বছরে এখন পর্যন্ত লকডাউন থাকায় নির্ধারিত সময় বইমেলা নিয়ে শংকা থাকলেও- এ বছরের শেষ দিনটি পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন বলে জানিয়েছেন আয়োজক প্রধান সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান।
সংস্কৃতিমনা এই ব্যাক্তি আরো জানান-গতবছর এত লোক সমাগম হয়েছে যে আমরা সবাইকে ঠিকমত জায়গা দিতে পারিনি। এতটা সাড়া পাব বুঝতে পারিনি, তাই এ বছর যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে,তাহলে বই মেলার জন্য আরো বড় জায়গা আমরা নিব।
একটি ভাষা একটি জাতির পরিচয়। আর যে ভাষার মাঝে আত্নত্যাগ লুকিয়ে থাকে,সে ভাষা আরো শানিত।পৃথিবীর মাঝে আমরা যে আমাদের ভাষাকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসি,তার প্রমান-ভাষার জন্য প্রান দেয়া। এই একটি জাতি-ই আমরা-যারা ভাষার জন্য প্রান দিয়েছে। বিদেশের মাটিতে এ ধরনের বইমেলা আমাদেরকে যেমন উজ্জীবিত করে ভাষা প্রেম সহ দেশপ্রেমের প্রতিটি জায়গায়,তেমনি এখানে বেড়ে ওঠা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মও জানতে পারছে আমাদের সংস্কৃতির প্রতিটি ধারা।
আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য যেটা একান্তই জরুরী। আবারো বসবে বাঙ্গালির প্রানের মেলা, আবারো জনসমুদ্রে উচ্চারিত হবে-“এ আমার মায়ের ভাষা” এ আমার অহংকারের নিশূতি রাতে প্রদীপ শিখার ভাষা।
