নাগরিক ডেস্ক: “মুজিব শতবর্ষে বাংলাদেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না” এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিহাসে প্রথমবারের মত একযোগে ৬৯,৯০৪ টি ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ নতুন ঘর উপহার দিয়েছেন। মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া ঘর উপহারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে অর্থ নেয়ার অভিযোগে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত টিম গঠন করেছেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী।
জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ঢাকা-এর ১৮ই জানুয়ারি ২০২১ তারিখের ৫১.০১.০০০০.০১২.২৯.১৯০.১৯.৩৫ নম্বর স্মারকে প্রেরিত রাঙ্গাবালী উপজেলায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ৪৯১টি ঘর বিক্রয়সহ বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হলো।
তদন্ত কমিটিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জি.এম সরফরাজকে আহবায়ক, পটুয়াখালী জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পটুয়াখালী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তাকে সদস্য করা হয়েছে। ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বলা হয়।
প্রসঙ্গত, বর্তমান সরকারের প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে গৃহহীনদের গৃহ আর ভুমীহিনদের ভুমি দেয়ার কর্মসচীতে রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ও বড়বাইশদিয়া ইউনিয়ন সহ চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও গৃহ নির্মাণের দুর্নীতির চিত্র ছড়িয়ে পরলে মিথ্যে প্রতিবাদ দিয়ে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করলে নড়েচড়ে বসে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার আহবান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
