নাগরিক রিপোর্ট:
মাসাধীককাল ধরে সোয়াবিন তেল আর চালের দামের উর্ধ্বগতিতে অস্থির বরিশালের বাজার। একইভাবে বেড়েছে চিনি আর মশুর ডালের। এতে নাবিশ্বাস এখানকার সাধারন মানুষের। বাজারে পিয়াজের দামও কিছুটা বেড়েছে- এমনটাই জানা গেছে শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে।
নগরীর বাজার রোডের মেসার্স জয়কালী ভান্ডারের স্বত্তাধীকারী জয় ব্যানার্জী বলেন, সোয়াবিন তেল প্রতি কেজি ১২২ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে যা বিক্রি ১৩০ টাকার উপরে। গত এক মাসের ব্যবধানে সোয়াবিন তেল কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা বেড়ছে। তবে টিনের জেরের তেল কেজিতে ২ টাকা কম বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে চিনি কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি চলছে ৬৫ টাকা দরে। খুচরা বাজারে এর দাম ৭০ টাকার উপরে। মশুর ডাল প্রতি কেজি ৩টাকা বেড়ে পাইকারী ৬৮ টাকা হলেও খুচরা বাজারে ৭২ টাকায় বিক্রি চলছে। বটতলা বাজার থেকে এক লিটার তেল কিনে ক্ষুব্দ কন্ঠে আসমা আক্তার নামে এক গৃহিনী বললেন, এভাবে দিনের পর দিন তেলের দাম কিভাবে বাড়ে। প্রশাসন কি করে!
এদিকে চালের দামও সোয়াবিন এর মত ক্রমশই বাড়ছে। নগরীর বটতালা বাজারের চাল বিক্রেতা রিয়াজ হোসেন জানান, চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩টাকা বাড়ছেই। শুক্রবার সকালে আঠাস বালাম বস্তা প্রতি (প্রতি বস্তায় ২৫ কেজি) বিক্রি হয়েছে ১২০০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকা করে। একইভাবে বস্তা প্রতি মিনিকেট ১৩০০ টাকা করে বিক্রি চলছে। মোটা চাল বিক্রি চলছে ১২০০ টাকা বস্তা।
পিয়াজপট্টি ঘুরে দেখা গেছে, কেজিতে ৫-৭ টাকা বেড়ে পিয়াজ পাইকারী বিক্রি হচ্ছে ৩৪ টাকায়। যা খুচরা বাচারে ৪২ থেকে ৪৫ টাকা করে কেজি প্রতি বিক্রি চলছে। তবে আলুর দাম কমে পাইকারী বিক্রি চালছে ১৩ টাকা করে। খুচরা বাজারে ১৫ টাকায়ই আলু কেজি প্রতি পাওয়া যাচ্ছে।
শুক্রবার নগরীর পোর্টরোড, কাশিপুর, নথুল্লাবাদ ঘুরে দেখা রুই কেজি প্রতি ৪০০ টাকা, কোরাল, ৬০০ টাকা, আইর ৭০০ টাকা দরে বিক্রি চলছে। বাজারে বড় ইলিশ না থাকলেও জাটকায় সয়লাব। কেজি প্রতি জাটকা ইলিশ বিক্রি চলছে ২৫০-৩০০ টাকা। নথুল্লাবাদ বাজারের মাছ বিক্রেতা কালাম মিয়া বলেন, জাটকা ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলায় ইলিশ মিলছে না। তাছাড়া দেশী মাছের প্রাপ্পতাও কমে আসছে। যেকারনে দাম কিছুটা বেড়েছে।
