নাগরিক রিপোর্ট:
প্রাণঘাতী করোনা প্রতিরোধে লকডাউনের প্রথম দিনে বুধবার বরিশাল ছিল স্থবির। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া লোকজন ঘরের বাহিরে বের হয়নি। নিত্যপন্যের দোকান ব্যতিত অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল বন্ধ। যেকারনে মহাসড়কসহ নগরীর শাখা সড়কও ছিল ফাঁক।
মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে আইনশৃংখলাবাহিনীকে।
সকাল থেকেই বরিশাল নগরীর প্রাণ কেন্দ্র ছিল জনশুন্য। দোকানপাটও খোলা ছিল না। এর মাঝে অনবরত টহল দিতে দেখা গেছে পুলিশের একাধিক টিমকে। নগরীর নতুন বাজার, বিবির পুকুর পাড়, কাকোলির মোড়, মড়কখোলার পোল, নথুল্লাবাদ, আমতলার মোড় দেখা গেছে পুলিশের চেকপোস্টে পুুলিশের কড়া অবস্থান।
এদিকে বেলা গড়ালে ছোট যান কিংবা মোটরসাইকেল অভ্যন্তরীন সড়কে চলতে দেখা গেলেও পুলিশের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে বাহককে। নগরীর প্রতিটি থানা পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। কোতয়ালী মডেল থানার ওসি নুরুল ইসলাম বলেন, লকডাউনে সড়কারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মেট্রোপলিটন পুলিশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে লোকজন চলাফেরা করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। যানবাহন ও মানুষের চলাচল রোধে গুরুত্বপূর্ন স্পটে চেকপোস্ট মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান ওসি নুরুল ইসলাম।

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক ছিল ফাঁকা। যাত্রীবাহী কোন বাস, মাইক্রোস দেখা যায়নি। কেবল মালবাহী যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়। তবে বিক্ষিপ্তভাবে কিছু অটো রিকশাও মহাসড়কসহ আন্ত:জেলা সড়কগুলোতে দেখা গেছে। যদিও বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহরেও রেঞ্জ পুলিশের চেকপোস্ট মোতায়েন করা হয়েছে। কাশিপুর নিবাসী মাইনুল ইসলাম জানান, তিনি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মহাসড়ক ফাঁকা দেখেছেন। তবে আসপাশের বাজারে লোকজনের ভীর ছিল ব্যাপাক।
করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানাতে এবং লকডাউন বাস্তবায়নে বরিশাল জেলা প্রশাসন নগরীতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত ফারাবি ও জাবেদ হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে আদালত ৪ ব্যক্তিকে জরিমানা করেন।
