কঠোর লকডাউনে স্থবির বরিশাল নগরী

Spread the love

নাগরিক রিপোর্ট : করোনা বিস্তার রোধে লকডাউনের প্রথম দিন বরিশালে স্থবিরতা নেমে এসেছে। সীমিত সংখ্যক রিক্সা ছাড়া সব ধরনের যানবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল বিচ্ছিন্নভাবে সড়কপথে বের হলেও পথে পথে তাদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জেরার মুখে পড়তে হয়েছে।
বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা গেছে প্রায় প্রতিটি মোড়ে মোড়ে পুলিশী তৎপরতা। মাঝে মাঝে কিছু সংখ্যক প্যাডেল চালিত রিক্সা চলাচল করতে দেখা যায়। তবে মোটরসাইকেলের সংখ্যা ছিল কিছুটা বেশী। চেকপোষ্টগুলোতে তাদেরকে আটকানো হলেও কর্মস্থলের পরিচয়পত্র প্রদর্শন কিম্বা নানান প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হওয়ার অজুহাত দেখিয়েছেন তারা। সব ধরনের বিপনী বিতান এমনকি পাড়া মহল্লার দোকানপাটও বন্ধ রয়েছে। তবে সকালে দিকে মুদি মনোহারী দোকানগুলো খোলা ছিল। বেলা ৩টা থেকে টানা ৪ ঘন্টা বরিশালে মুষলধারার বৃষ্টি শুরু হওয়ায় সড়কপথগুলো পুরোপুরি ফাঁকা হয়ে যায়।
বরিশলের সবচেয়ে ব্যস্ততম খেয়াঘাট হচ্ছে নগরীর নৌবন্দরের চরকাউয়া খেয়াঘাট। বেলা ১২টার দিকে সেখানে গিয়ে দেখা গেছে, এ খেয়াঘাটের নৌকা চলাচল বন্ধ রয়েছে। কয়েকজন যাত্রী সেখানে অপেক্ষা করছেন। শুভ নামক এক তরুন বলেন, তিনি বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকা থেকে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেলে রওনা হয়ে ভোর সাড়ে ৫টায় খেয়াঘাটে পৌছেছেন। যাবেন বাকেরগঞ্জের দূর্গাপাশা গ্রামের বাড়িতে। বেলা ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও কীর্তণখোলা পাড়ি দেয়ার ট্রলার পাননি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরীতে প্রবেশের সবগুলো খেয়াঘাটই প্রশাসন বন্ধ করে দিয়েছে। সড়কপথে নগরীর প্রবেশমুখ রূপাতলী ও নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে বসানো হয়েছে চেকপোষ্ট।
বরিশালের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, লকডাউন কার্যকরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটদের একাধিক ভ্রাম্যমান আদালত নগরীতে সক্রিয় রয়েছে। পুরো জেলায় ২০ জন ম্যাজিষ্ট্রেট লকডাউন কার্যকরে মাঠে আছেন। এছাড়া সেনাবাহিনী ও বিজিবি টহল দিচ্ছে।##

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *