কাউন্সিলর মান্নাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচয়ে তুলে নেয়ার অভিযোগ

Spread the love

নাগরিক রিপোর্ট : বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাইয়েদ আহমেদ মান্নাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নেয়ার অভিযোগ করেছে তার পরিবার।
শুক্রবার রাত পৌনে ১০টায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা এলাকার শিয়া মসজিদ সংলগ্ন বোনের বাসা থেকে পোশাকধারী দুজন লোক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে ধরে নিয়ে যায় বলে জানান মান্নার বড় ভাই শেখ মাসুদ আহমেদ রানা।

তবে শেখ মান্না আটক হওয়ার বিষয়টি বরিশাল কোতোয়ালী থানা পুলিশ এবং মোহম্মদপুর থানা পুলিশ জানে না বলে গনমাধ্যমকে বলেছেন ।

শেখ সাইয়েদ আহমেদ মান্না বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার প্রয়াত শেখ কুতুব উদ্দিন আহমেদ এর ছোট ছেলে।

গত বুধবার রাতে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সরকারি বাসভবন ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানায় দায়ের হওয়া দুটি মামলার অন্যতম আসামী শেখ মান্না। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বরিশাল থেকে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

শেখ সাইয়েদ আহমেদ মান্নার বড় ভাই শেখ রানা দাবি করেছেন, মান্না ঢাকার মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ এলাকায় বোনের বাসায় অবস্থান করছিলেন।

শুক্রবাররাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সাদা পোশাকে দুজন ব্যক্তি এসে নিজেদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে মান্নাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছেনা।

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার পর তারা মোহাম্মদপুর থানায় গিয়ে খোঁজ নিয়েছেন। এমনকি বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায়ও খোঁজ নেয়া হয়েছে। তারা কেউ মান্নাকে ধরে আনেনি বলে পরিবারকে এখন ডিবি সহ অন্যাসব স্থানে খোঁজ নেয়া হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল লতিফ বলেন, ‘একজন লোক এসেছিলেন কাউন্সিলর মান্নার খোঁজ করতে। তবে আমাদের থানার কেউ তাকে গ্রেফতার করেনি। তাছাড়া অন্য কোন বাহিনী তাকে গ্রেফতার করেছে কিনা সে বিষয়ে আমাদের কাছে কোন তথ্য নেই।

বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুরুল ইসলাম বলেন, ‘কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহমেদ মান্না ইউএনও’র বাসায় হামলা এবং পুলিশের সরকারি কাজে বাধা ও হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *