“মাঝ নদীতেই চালক টের পান ফেরীতে পানি উঠছে”

Spread the love

নাগরিক ডেস্ক : মাঝ নদী পার হওয়ার পর পরই শাহ আমানত ফেরির মাস্টার বুঝতে পেরেছিলেন ফেরিটিতে পানি ঢুকছে। বুধবার সকালে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করার পর ওই রো-রো ফেরি উল্টে যায়। এ ঘটনায় এরই মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ডুবে যাওয়া ফেরি আমানত শাহ ৯৭৯ সালে আরিচা ফেরি সেক্টরে যোগ দেয়। ফেরি ডুবির ঘটনার পর থেকে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ৯টি ট্রাক ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। উদ্ধার কাজে যোগ দিতে মুন্সিগঞ্জ থেকে উদ্ধাকারী জাহাজ প্রত্যয় রাতেই পাটুরিয়া ঘাটে এসে পৌঁছাবে। রাতেও চলবে উদ্ধার তৎপরতা।

ফেরির মাস্টার শরিফুল ইসলাম লিটন জানান, চার মাস আগে ফেরিটি নারায়ণগঞ্জ থেকে ভারী মেরামত শেষে পাটুরিয়া সার্ভিসে আসে। তবে সম্প্রতি ফেরিটি তলদেশে একটি ফুটো হয়। বুধবার দৌলতদিয়া থেকে পাটুরিয়া গিয়ে ভাসমান কারখানায় মধুমতিতে তা মেরামত করার কথা ছিলো।

তিনি জানান, মাঝ নদী পার হওয়ার পর ফেরিতে পানি ওঠার বিষয়টি তিনি টের পান। ভালোভাবেই তিনি ফেরিটি পাটুরিয়া ঘাটে নোঙ্গর করেন। এর পর যানবাহন আনলোড হওয়ার সাথে সাথে ফেরিটি কাত হয়ে ডুবে যায়।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের উপব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান জানান, শাহ আমানত ফেরিটি ১৯৭৯ সালে ফেরি বহরে যোগ হয়। ফেরিটির কোনও ত্রুটি ছিলো কি না তা জানা নেই। তবে ডুবে যাওয়ার প্রাথমিক যে তথ্য পাওয়া গেছে। তাতে মনে হচ্ছে ফেরির তলদেশ ছিদ্র হয়ে পানি উঠে ফেরিটি ডুবে গেছে। আমাদের দেশে ফেরি ডুবির ঘটনা এটাই প্রথম।

এর সকাল পৌনে ১০টার দিকে ৫ নম্বর পন্টুনে আনলোড করার সময় ফেরিটি উল্টে যায়। ফেরিতে থাকা ১৭টি পণ্যবাহী ট্রাকের মধ্যে মাত্র ৩টি ট্রাক নামতে সক্ষম হলেও বাকি ১৪টি ট্রাক ও মোটরসাইকেল নিয়ে উল্টে যায় ফেরিটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *