নাগরিক রিপোর্ট:
দেশের নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম নিয়ে এক সভায় বরিশালে বক্তারা বলেছেন, শিক্ষাক্রম প্রণয়নে শিক্ষক-শিক্ষানুরাগী, বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করা হয়নি। নতুন এই শিক্ষাক্রমে বিজ্ঞান শিক্ষাকে সংকুচিত করে কারিগরি শিক্ষায় কিছু শ্রমিক উৎপাদনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে সচেতন শিক্ষিত মানুষের বদলে স্বল্পশিক্ষিত শ্রমিক তৈরি হবে। কোচিং বাণিজ্য বন্ধ না করে শিক্ষকদের হাতে ৩০ থেকে ৭০ ভাগ নম্বর রেখে শিখনকালীণ মূল্যায়নের উদ্যোগও হবে ছাত্র স্বার্থবিরোধী এবং অযৌক্তিক।
সোমবার সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের উদ্যোগে নগরীর কীর্তনখোলা মিলনায়তনে ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০২০; আদৌ কি পাব কাঙ্খিত শিক্ষাব্যবস্থা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা বক্তারা এসব কথা বলেন।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পরপর তিনটি পাবলিক পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যা ছাত্রদের উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে। এই গনবিরোধী শিক্ষাক্রম বাতিল করে ছাত্র-শিক্ষক সর্বস্তরের মানুষের মতামতের ভিত্তিতে গণমুখী শিক্ষাক্রম প্রনয়নের দাবি জানান তারা।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বরিশাল মহানগর শাখার প্রচার-প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক বিজন সিকদারের সভাপতিত্বে এবং শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখার সংগঠক আনন্দ মৃত্তিকা নাজ এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল কাদেরী জয়, শিক্ষাবিদ শাহ্ সাজেদা, সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ আবদুল মোতালেব হাওলাদার,
বাকবিশিস বরিশাল বিভাগের আহবায়ক মোঃ জলিলুর রহমান, বাসদ বরিশাল জেলার আহবায়ক ইমরান হাবীব রুমন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মনীষা চক্রবর্তী প্রমুখ।
