নাগরিক রিপোর্ট‘: যতদিন বাংলা ভাষা, শহীদ মিনার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী’ গান থাকবে ততদিন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী বাঙ্গালীর মাঝে বেঁচে থাকবেন। তিনি শুধু বরিশাল কিম্বা বাংলাদেশের সন্তান নন, পশ্চিমবাংলারও সন্তান, যেখানে একজন বাংলা ভাষাভাষি আছেন গাফ্ফার চৌধুরী সেখানকার সন্তান’। অমর একুশের গানের রচয়িতা, ভাষা সৈনিক ও সাংবাদিক এবং বরিশালের কৃতি সন্তান আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যুতে বৃহস্পতিবার রাতে বরিশালে অনুষ্ঠিত নাগরিক শোকসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানাতে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় নাগরিক পর্ষদ এর আয়োজনে এই নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান আলোচক ছিলেন পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য, জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান এবং দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। আলোচক ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ ছাদেকুল আরেফিন ও বিবিসি বাংলার প্রযোজক কাজী জাওয়াদ। নাগরিক পর্ষদের আহ্বায়ক ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন।
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি বলেন, যে দেশে গুনি মানুষদের সম্মান দেখানো হয়না, সে দেশে গুনী মানুষের জন্ম হয়না। জন্মালেও তারা মানসম্মান রক্ষায় অন্য দেশে চলে যান। আমাদের সমাজ আজ লুটেরা হিসাবে পরিচিত। এখানে ফেরেশতা-দরবেশ সবাই লূটেরা। আমাদের এই সমাজব্যবস্থা পরিবর্তন আনতেই হবে। যারা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীকে আদর্শ হিসাবে মানেন তাদের নিজেদের মধ্যেও পরিবর্তন আনতে হবে, গাফ্ফার চৌধুরীকে আদর্শ হিসাবে মানলে বাংলা ভাষার শুদ্ধতার দিকে সবাইকে নজর দিতে হবে।
স্মরন সভার শুরুর আগে অতিথিসহ বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যেগে প্রয়াত গাফ্ফার চৌধুরীর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। শোক সভায় আরো আলোচনায় অংশগ্রহন করেন নাগরিক পর্ষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নজমুল হোসেন আকাশ ও সৈয়দ দুলাল। আলোচনা সভা শেষে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী স্মরনে ‘শব্দ সেনার মহাপ্রয়ান’ নামক গীতিআলেখ্য প্রদর্শিত হয়।##
২০২২-০৬-০৩

I constantly look forward to your new and distinctive viewpoints. It keeps me coming back for more.
Your writing flows so effortlessly that I entirely forget of time when going through your blog.