পটুয়াখালী আদালতে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা

Spread the love

পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এজলাসে আইনজীবীদের মধ্যে হাতাহাতি ও আসামিদের মারধরের ঘটনায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়েছে। রোববার দুপুরে জেলা আইনজীবী সমিতির লাইব্রেরি সম্পাদক মো. মজিবুল হক বিশ্বাস মামলার আবেদন করলে বিচারক ইসরাত জাহান মৌমি তা আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানা–পুলিশকে এজাহার গ্রহণের নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পেশকার মাহাবুবুর রহমান।

মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ২০ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০–৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আরজিতে বলা হয়, ২৬ জুন দুপুরে আদালতে জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের সঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়, যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় হাজিরা দিতে আসা আসামিদের মারধরের অভিযোগ উঠে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ ও স্লোগানের মাধ্যমে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আরজিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জামিন না পাওয়া দুই আসামির পক্ষে থাকা আইনজীবী আবদুল্লাহ আল নোমানের উসকানিতে জামিন পাওয়া আসামিরা বারান্দায় হট্টগোল শুরু করেন এবং পরে বহিরাগতদের নিয়ে আইনজীবী সমিতিতে ঢুকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের হুমকি দিয়ে জিম্মি করেন।

এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী ও জেলা যুবদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, “স্থানীয় রাজনীতি ও ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে আদালতে হাজিরা দিতে আসা আসামিদের মারধর করা হয়েছে। পরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

এ ঘটনায় জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে পৃথক নোটিশ ইস্যু করা হলেও তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।