নাগরিক রিপোর্ট: বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, ঢাকা সিটি করপোরেশণ নির্বাচনে আজিজ কমিশন মার্কা নির্বাচন দেখতে চাইনা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটের মাঠে গণজোয়ারের সৃষ্টি হয়েছে, ব্যালট বাক্সে তার প্রতিফলন দেখতে চাই। মানুষ যেন ভোট থেকে মুখ ফিরিয়ে না নেয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। আমরা ভোটের মাঠে উৎসব দেখতে চাই। ভোট নিয়ে এসব কথা বলায় অনেকে আমাকে বাঁকা চোখে দেখে।
মঙ্গলবার বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে ওয়ার্কার্স পার্টির বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় রাশেদ খান মেনন এমপি এসব কথা বলেন। ২১ দফার ভিত্তিতে ন্যায্যতা- সমতা প্রতিষ্ঠাসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসা¤প্রদায়িক জনগণতান্ত্রিক আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহŸান জানাতে ওয়ার্কার্স পার্টির এ বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে আরো বক্তৃতা করেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারন সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, অ্যাডভোকেট মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপিসহ স্থানীয় নেতারা। সভাপতিত্ব করেন পার্টির জেলা সভাপতি অধ্যাপক নজরুল হক নীলু।
রাশেদ খান মেনন এমপি আরো বলেন, ঢাকার দুই সিটিতে নির্বাচনের ইমেজ দেখতে পেয়েছি। ওয়াকার্স পার্টিসহ ১৪ দল মাঠে কাজ করছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ভোটে ১৪ দলের প্রার্থীই জয়ী হবে। ভোটাররা যাতে ভোট কেন্দ্রে আসেন সেই কাজটি সকলকে করতে হবে।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সরকার গঠন হলেও দেশ থেকে দূর্ণীতি বন্ধ করা যায়নি। দেশে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পেয়েছে। তারপরও এখনও দেশের ৫ ভাগের একভাগ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে রয়েছে। উন্নয়নের সঙ্গে দূর্ণীতিও বেড়েছে। দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাঁচার হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলাদেশে হবে জনগনের, কোন দূর্নীতিবাজদের রাষ্ট্র হবেনা। তিনি বিকল্প ব্যবস্থা না করে উন্নয়নের নামে বস্তিবাসীদের উচ্ছেদ না করার আহŸান জানান।
সমাবেশের প্রধান বক্তা ফজলে হোসেন খান বাদশা এমপি বলেন, সরকার সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি করেছে, তারাই দূর্নীতি জাতীয়করন করেছে। আজ দেশে হিসাব ছাড়া ধর্ষন ও হত্যা হচ্ছে, তার বিচার কেউ পায় না। আমাদের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হচ্ছে দূর্নীতির মাধ্যমে দেশ থেকে নয় লক্ষকোটি টাকা পাচার হয়েছে, আমরা কিছুই করতে পারি নাই। এ টাকা যারা পাঁচার করেছে তারা দেশের আসল রাজাকার।
২০২০-০১-২৮
