লঞ্চ চলাচলের দাবীতে বরিশালে বিক্ষোভ, আন্দোলনের হুশিয়ারী

Spread the love

নাগরিক রিপোর্ট:
যাত্রীবাহি লঞ্চ চলাচল চালু করার দাবীতে বরিশালে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে শ্রমিকরা। হাজার হাজার লঞ্চ শ্রমিকের এবারের ঈদ কেটেছে নিরানন্দে। এর জের ধরে মঙ্গলবার বরিশালে বিক্ষোভ করেছেন নৌযান শ্রমিকরা। বেলা ১১টায় বরিশাল নৌবন্দরে কয়েকশ শ্রমিক বিক্ষোভ করেন। তারা স্বাস্থ্য বিধি মেনে যাত্রীবাহি নৌযান চলাচলের অনুমতি দেয়ার দাবী জানিয়েছেন।

অন্যথায় কঠোর আন্দোলনেরও হুশিয়ারী জানিয়েছেন শ্রমিকরা। নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যেগে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় গত ৫ এপ্রিল থেকে সারা দেশের লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।


সমাবেশে বক্তারা বলেন, করোনা সংক্রামন রোধে দেড় মাস আগে লকডাউন শুরুর দিন থেকে যাত্রীবাহি নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এতে বরিশাল বিভাগের ১০ সহ¯্রাধিক নৌযান শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। বক্তারা বলেন, নৌযান মালিকরা লকডাউনের অজুহাত দেখিয়ে শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছেন না। অনেক পরিবার ঈদ করতে পারেননি। অথচ স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষা করে সব ধরনের পরিবহন চলাচল করছে।


নৌযান শ্রমিকরা বলেন, অবিলম্বে যাত্রীবাহি নৌযান চলাচলের অনুমতি দেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রমিকরা নৌযানে যাত্রী পরিবহন করবেন। অনথ্যায় নৌযান শ্রমিকদের বেতন-ভাতার নিশ্চয়তা দেয়া হোক।
সমাবেশে বক্তৃতা করেন নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের জেলা সভাপতি শেখ আবুল হাশেম মাষ্টার, যুগ্ন সম্পাদক মাষ্টার একিন আলী, মাষ্টার নজরুল ইসলাম, মাষ্টার গিয়াস উদ্দিন, মাষ্টার মানিক, ড্রাইভার শাহাদত হোসেন প্রমুখ।


সুন্দরবন লঞ্চের মাস্টার মজিবর রহমান বলেন, এ অঞ্চলে সব যানবাহনই লঞ্চ চলাচল বন্ধ। যেকারনে লঞ্চ শ্রমিকদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, শিগগিরই লঞ্চ চলাচল শুরুর দাবী জানান।
এব্যপারে নৌ-যান শ্রমিক ফেডারেশন এর বরিশাল অঞ্চলের সভাপতি মাষ্টার আবুল হাশেম বলেন, বাস, ফেরি সবই ছাড়লো। নদীতে ট্রলার-স্পিডবোটও চলে।

কিন্তু কেবল লঞ্চ চলাচল বন্ধ। এই সেক্টরের ৫০ হাজার শ্রমিক এ অবস্থায় সংসার চালাতে পারছেন না। ঈদে মালিক পক্ষ যা দিয়েছে তা পর্যাপ্ত নয়। এ অবস্থায় লঞ্চ চলাচলের অনুমতি না মেলায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছেন। কঠোর আন্দোলনের ডাক দেয়ারও হুশিয়ারী দেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *