গয়েশ্বর রায় রাজাকার ছিলেন- বললেন মীর্জা আজম

Spread the love

নাগরিক ডেস্ক : একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় রাজাকার ছিলেন বলে অভিযোগ তুলেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।

গতকাল শুক্রবার রাতে জামালপুরের মাদারগঞ্জে মোসলেমাবাদ চারণ থিয়েটারের আয়োজনে বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ন্যাটোৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন অভিযোগ তোলেন।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের সকল শক্তি ঐক্যবদ্ধ। আর ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস, পাকিস্থানপন্থী মানুষগুলো বিএনপির নেতৃত্বে একটি প্ল্যাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ।

মির্জা আজম বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলছেন, পাকিস্থান আমল নাকি ভালো ছিল। আবার বিএনপির স্থানীয় কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলছেন, বাংলাদেশ অ্যাক্সিডেন্টালি, বাই চান্স স্বাধীনতা অর্জন করেছে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় একজন রাজাকার ছিলেন। উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার গতিকে রোধ করার জন্য বিএনপি নেতৃত্বাধীন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তিরা ষড়যন্ত্র করছে।’

মির্জা আজম বলেন, ‘বিএনপি দেশে অশান্তি সৃষ্টির জন্য সভা সমাবেশ করছে। তারা বলেছিল ১০ ডিসেম্বরের পর খালেদা জিয়া-তারেক রহমানের নেতৃত্বে নাকি দেশ চলবে। ১১ ডিসেম্বর তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে সোজা বঙ্গভবনে গিয়ে ক্ষমতা দখল করবে। বিএনপি এ রকম উদ্ভট ষড়যন্ত্রমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। এ জন্য ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের অবস্থান আরও শক্ত করার নির্দেশনা দিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধীরা চাচ্ছে বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে। বাংলাদেশ যাতে সামনে এগোতে না পারে। বাংলাদেশ যাতে পাকিস্থানের চেয়ে পিছিয়ে যায়। অন্যদিকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আজ ঐক্যবদ্ধ। বাংলাদেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য। বাংলাদেশ ছিল বিশ্বের দরিদ্রতম দেশ। ১৪ বছরে দরিদ্রতম দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশ। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। ১৪ বছর আগে আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল ৫৪০ ডলার, এখন ২ হাজার ৮০০ ডলার। ২০২৬ সালের মধ্যে মাথাপিছু আয় হবে ৪ হাজার ডলার। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে ইউরোপ, আমেরিকার মতো উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ। বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ।’

আদারভিটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোনায়েম হোসেন সুজন তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ, সহসভাপতি ফারুক আহম্মেদ চৌধুরী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আমিন চান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবু জীবন কৃষ্ণ সাহা, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান বেলাল, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য মির্জা গোলাম কিবরিয়া কবির প্রমুখ।

৩ Comments

  1. Thank you for your sharing. I am worried that I lack creative ideas. It is your article that makes me full of hope. Thank you. But, I have a question, can you help me?

  2. Can you be more specific about the content of your article? After reading it, I still have some doubts. Hope you can help me.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *