নাগরিক রিপোর্ট: করোনা সংক্রামন রোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত কয়েকদিন যাবত সড়কে লোকজনের চলাচল এবং যানবহ বেড়ে যাওয়ায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ পদক্ষেপ নিয়েছে। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার বেলা বাড়তেই নগরীর সড়কগুলোতে সাধারনের যাতায়ত অনেকাংশে কমে গেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হুদার নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি দল নগরীর বিভিন্ন সড়কে জোরালো টহল দেয়। এ সময় বিভিন্ন স্থানে অযথা রাস্তায় জমায়েত না করা, জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়া এবং মুদী ও ওষুধের দোকান ব্যাতিত কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা না রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। বরিশাল বিভাগে জনসমাগম রোধে সেনাবাহিনীর ১৭টি দল জোরদার টহল দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা সেনানিবাসের মেজর সিদ্দিক মোবিন।
এদিকে সেনাবাহিনীর টহল ছাড়াও পুলিশ সদস্যরা নগরীসহ বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ন সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে সরকারী নির্দেশ অমান্য করে চলাচলত যানবাহন আটকে দেয়। মোটরসাইকেলে কিংবা রিক্সায় ২ বা ততোধিক যাত্রী থাকলে একজন ব্যতিত অন্যদের নামিয়ে দেয় পুলিশ। এ সময় বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দেয় তারা। এছাড়া পুলিশ এবং র্যাবের একাধিক দল জনগসমাগম রোধে এবং জনগনকে নিজ নিজ ঘরে রাখতে নগরী সহ সর্বত্র জোড়দার টহল দিচ্ছে।
সরেজমিনে নগরীর নবগ্রাম সড়ক, সদর রোড, হাসপাতাল রোড, সিএএন্ডবি রোডে মানুষের চলাচল বৃহস্পতিবার কম দেখা গেছে। অধিকাংশ স্থানে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃংখলাবহিনী তৎপর দেখা গেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান জানান, করোনা সংক্রামন রোধে সরকার সবাইকে নিজ নিজ ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। এরপরও কিছু সংখ্যক মানুষ অপ্রয়োজনে রাস্তায় বের হচ্ছে। সরকারী নির্দেশ বাস্তাবায়নে বরিশালের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর হয়েছে। অপ্রয়োজনে কেউ রাস্তায় বের হলে তাকে জবাবদীহিতা করতে হবে। এমনকি তাদের শাস্তিও পেতে হবে।
২০২০-০৪-০২
