স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চাকরির প্রলোভনে প্রতারনা

Spread the love

বাবুগঞ্জ সংবাদদাতা: বরিশালে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে বিকাশের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে। অর্থ দিয়েও চাকুরী না পাওয়ায় হতাশায় ভুগছেন চাকুরী প্রত্যাশীরা। প্রতারক এ চক্রটি অনলাইন বিজ্ঞাপনে (পযধশৎরশযড়নড়ৎ.পড়স) মা ও শিশু কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নামে বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় নানা পদে লোক নিয়োগ করার কথা উল্লেখ করেছে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ‘ইউনিয়ন সুপারভাইজার’ পদের জন্য পরিচালক প্রশাসন, মা ও শিশু কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র (গভঃ রেজিঃ নং সি ২০২১৩৪১) বাড়ী নং ৫১২, রোড নং ২, মোহাম্মদপুর ঢাকা-১২০৭ বরাবর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ একটি আবেদন প্রেরন করে জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর এলাকার রফিকুল ইসলামের স্ত্রী এ্যানি আক্তার। তার মত একই এলাকার মো. মাইনুর ইসলাম, সুমি আক্তার ও সাইফুল হক তানভীর হাওলাদার বিভিন্ন পদে চাকুরীর আবেদন করেন।

২৮ নভেম্বর মা ও শিশু কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে এক নারী আবেদনকারীকে ফোন করে জানানো হয় আপনাদের নিয়োগ চূড়ান্ত হয়েছে। বাবুগঞ্জে ৫ নভেম্বর থেকে ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। ওই প্রশিক্ষণের জন্য ৭৫০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ দাবী করে প্রতারক চক্রটি।
সে অনুযায়ী বাবুগঞ্জের একাধিক নারী আবেদনকারী ওই অফিসের ০১৭৭৫৮৮৬৬৩২ নম্বরের বিকাশে ৭৫০ টাকা করে প্রেরন করেন। গত ৩০ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ০১৪০২৭৪২৭১১, ০১৮৪২০৭৪৭৫৬, ০১৮৪২০৭৪৭৭৬, ০১৮২৫৪৬৯৫৮৩ ও ০১৮৮৮০০৯৬৮৯ নম্বর থেকে আবেদনকারীদের ফোন করে জামানত বাবদ ১১ হাজার ৫০০ টাকা এবং আবেদনকারীর পছন্দ অনুযায়ী ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য যৌথ ব্যাংক একাউন্ট ফি বাবদ ৫৫০ টাকা করে বিকাশের মাধ্যমে আদায় করে নেয় ওই প্রতারক চক্র।

৫ ডিসেম্বরের প্রশিক্ষনের বিস্তারিত জানতে আবেদনকারীরা ৪ ডিসেম্বর ওইসব মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে তা বন্ধ পান। ৬ ডিসেম্বর আবেদনকারীরা ০১৮৪২০৭৪৭৭৬ নম্বরে ফোন দিলে নানা ছলচাতুরি করে প্রতারক চক্র। গত কয়েকদিন ধরে ওই নাম্বারে ফোন দিয়েও কোন সারা পাননি আবেদনকারীর।
প্রতারনার শিকার আবেদনকারী মাইনুল ইসলাম বলেন, তিনি ১০ সডিসেম্বর বৃহস্পতিবার চাকরী ও টাকা ফেরতের কথা বললে ওই প্রতারক চক্র তার সাথে রসিকতা করে। আরেক আবেদনকারী সুমি আক্তার বলেন, তার ফোন নাম্বার বøক লিস্টে ফেলে রেখেছে। জানা গেছে, একইভাবে প্রতারকের খপ্পরে পড়েছেন আগরপুরের সুরমা ও মুন্নি আক্তার নামে দুই নারী। এ ঘটনায় এসব চাকরী প্রার্থীরা চরম হতাশায় ভুগছেন।

এব্যাপারে বাবুগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, তার কাছে এধরনোর কোন অভিযোগ কেউ করেননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *