নারীদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে

Spread the love

সৈয়দ জুয়েল:
বিশ্বে কোন দেশই নারীদের ঘরে রেখে উন্নতি করতে পারেনি। একটি সময় ছিলো-নারী মানেই দ্রুত বিয়ে দিয়ে সংসার, সন্তান নিয়ে জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত অন্যায়,অবিচার সহ্য করে ঘরের চার দেয়ালেই কাটিয়ে দেয়া। কিন্তু শেষ বিশ বছরে সে ধারা পরিবর্তন হতে হতে এখন নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে বীরদর্পে।
এমন কোন প্রতিষ্ঠান নেই যেখানে নারীরা তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছেননা।

এক সমীক্ষায় দেখা যায়-পুরুষের চেয়ে নারীরা অনেক বেশি দায়িত্ব পরায়ন ও কম দূর্নীতিগ্রস্ত। তাই নিয়োগের ক্ষেত্রে অনেক প্রতিষ্ঠানেরই পছন্দের তালিকার শীর্ষে নারীরা। কিন্তু স্বাধীনতার এত বছরেও নারী নিরাপত্তা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা অনেকটা পিছিয়ে।

যৌন হয়রানি রোধে আইনের সঠিক বাস্তবায়ন থেকে শুরু করে নারীর অধিকারের অনেক জায়গায়ই আমাদের সফলতা নিম্নমুখী। মা, বোন, স্ত্রী এ তিন সন্মানের সম্পর্ক পুরুষ জাতির জীবনকে যতটা আলোকিত করেছে, অন্য আর সম্পর্ক কি ততটা আলো ফেলতে পেরেছে জীবন চলার পথে! যে নারী শ্রমিক রাতে কাজ শেষে বাড়ীতে ফিরছে-পথে সে নারীর নিরাপত্তা দেয়া রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের নাগরিকদের দায়িত্ব।

এসব নারী শ্রমিকের জন্যই অনেকটা শক্ত অব্স্থানে আমাদের অর্থনীতি। যাদের অবদানে উন্নত দেশের তকমা লাগানোর পথে হাঁটছি আমরা, সে সব মায়াময়ী নারীদের জন্য- স্বাস্থ্য নিরাপত্তা থেকে ব্যাক্তি নিরাপত্তায় দিতে হবে অগ্রাধিকার।

“মা” সুস্থ থাকলে তার সন্তানকে আদর্শিক একজন মানুষ হিসেবে তৈরি করার পথ অনেক সহজ হয়। আর বর্তমানে ভূমিষ্ঠ যে সন্তান-আগামীতে এরাই হবে দেশ গড়ার কারিগর। তাই সুস্থ সমাজ ও উন্নত দেশ গঠনে ঘর থেকে বাহিরে প্রতিটি স্তরে নারীদের মানসিক শান্তির নিরাপত্তা সহ সামাজিক সন্মানের নিরাপত্তার জায়গা হতে হবে আরো উদার। বিশ্ব নারী দিবসে সবার জন্য ভালবাসা অবিরাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *