নাগরিক রিপোর্ট:
বরিশাল বিভাগে একদিনে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১৫৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৮ দশমিক ৬০শতাংশ। তবে গত কয়েক সপ্তাহ যাবৎ বরিশাল বিভাগে প্রতিদিন ৫০০ জনের বেশি করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হলেও হঠাৎ করেই শনিবার তা কমে গেছে। শনিবার বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম জানান, শনিবার সকাল ৮টা থেকে আগের ২৪ ঘন্টায় এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১২ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত ৩জন এবং উপসর্গ নিয়ে ৯জন চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতালের ৩০০ শয্যার করোনা ইউনিটে শনিবার পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিল ২৫৩জন। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত রোগী ৮৪জন। মেডিকেল কলেজের আরটি-পিসিআর ল্যাবে ২৪ ঘন্টায় ২১৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৪১জন পজিটিভ শনাক্ত হন। শনাক্তের হার ৬৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বরিশাল বিভাগীয় পরচিালক ডা. বাসুদবে কুমার দাস জানান, বিভাগের ৬ জেলায় ৩২১টি নমুনা পরীক্ষায় ১৫৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৮ দশমিক ৬০। গত কয়েকদিনের মতো শনিবারও বিভাগের মধ্যে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি বরিশাল জেলায়। এ জেলাতে ১৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১০৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। বিভাগের মধ্যে ২৪ ঘন্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হারে শীর্ষেও বরিশাল জেলা। এ জেলায় শনাক্তের হার ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ।
এরপর বরগুনা জেলাতে শনাক্তের হার ৫০ শতাংশ। এ জেলায় ২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ভোলা জেলায় ১০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ।
পটুয়াখালী জেলায় ৩০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১০ জনের করোনা শনাক্ত হযেছে। শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। ঝালকাঠীতে শনাক্তের হার ৩০ শতাংশ। এ জেলাতে ১০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩ জনের করো শনাক্ত হয়েছে। পিরোজপুর জেলায় শনিবার সকাল ৮টা থেকে আগের ২৪ ঘন্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়নি।
এছাড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে ২৪ ঘন্টায় মারা গেছেন ৪ জন। এর মধ্যে ২ জনের বাড়ি ঝালকাঠী, একজনের বাড়ি বরগুনায় এবং অন্যজনের বাড়ি বরিশাল জেলায় বলে জানান ডা: বাসুদেব।
