কাবুল কারাগার থেকে তিন বাংলাদেশী মুক্ত

Spread the love

নাগরিক ডেস্ক : কাবুলের ক্ষমতা দখল করার পর বন্দী তালেবানদের মুক্ত করতে সেখানকার প্রধান কারাগার পুল-ই-চরখির দরজা খুলে দিয়েছে তালেবানরা। সেই সুযোগে কারাগারটিতে বন্দি তিন বাংলাদেশিও মুক্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা এবং তালেবানকে সহায়তার অভিযোগে ওই তিনজনসহ ৪ বাংলাদেশি বহু বছর ধরে পুল-ই-চরখিতে বন্দি ছিলেন। উজবেকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জাহাঙ্গীর আলম এই বন্দিদের একজন মুক্ত ও বাকি দুজনও সম্ভবত মুক্ত হয়েছেন বলে আমাদের সময়কে নিশ্চিত করেছেন। আফগানিস্তানে বাংলাদেশের কোনো দূতাবাস নেই। দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক দেখভাল করার দায়িত্ব উজবেকিস্তানের বাংলাদেশ দূতাবাসের।
মুক্ত হওয়া ৩ বাংলাদেশি হলেন খুলনার দৌলতপুর উপজেলার মঈন আল মেজবাহ, রাজধানীর মিরপুরের (ভাসানটেক) কাওসার সুলতানা এবং ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার উবাইদুল্লাহ হারুন। দূতাবাসের রেকর্ড মতে, জেলে থাকা চতুর্থ বাংলাদেশি সিরাজ আবদুস সাত্তারের কোনো হদিস এখনো মেলেনি। বাংলাদেশের কোন জেলা বা উপজেলায় তার বাড়ি সে সম্পর্কেও দূতবাসের কাছে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।
এদিকে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের ৯ কর্মীর মধ্যে ৬ জন সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টরের বাসায় নিরাপদে আছেন বলে জানান রাষ্ট্রদূত জাহাঙ্গীর আলম। এর মধ্যে তিনজন ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ফিরেছেন। বাকি ৬ জন আগামী ১৮ আগস্ট দেশের উদ্দেশে কাবুল ত্যাগ করতে পারেন।
রাষ্ট্রদূত জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর তালেবানরা বিভিন্ন কারাগার খুলে দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ওই ৩ বাংলাদেশি বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। আফগানিস্তানের বৃহত্তম কারাগার পুল-ই-চরখিতে বন্দি ছিলেন তারা। তাদের মুক্ত করতে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নানামুখী কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছিলেন বলে জানান রাষ্ট্রদূত জাহাঙ্গীর আলম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *