নাগরিক রিপোর্ট:
গেল কোরবানীতে বিয়ে করেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইয়াছিন তালুকদার (২৫)। শশুর বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি রওনা দেন গত ২১ আগস্ট। এরপর টানা এক সপ্তাহ ধরে নিরুদ্ধে ইয়াছিন। এ ঘটনায় ইয়াছিনের বৃদ্ধ মা এবং সদ্য বিবাহিত স্ত্রী ৭দিনেও সন্ধ্যান না মেলায় বার বার কান্নায় মুর্ছা যাচ্ছেন।
ঘটনাটি বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার চানপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মাঝিরহাট এলাকায়। স্বজনরা সন্দেহ করছেন, বিয়ে নিয়ে ঘটকের সাথে বিরোধের জের ধরে ইয়াছিন নিখোজ হতে পারেন।
নিখোজ ইয়াছিনের ভগ্নিপতি মো: ইব্রাহীম বলেন, ইয়াছিন মেহেন্দীগঞ্জে ক্ষুদ্র দোকানী ছিলো। এর আগে ঢাকায় মিস্টির দোকানে কাজ করতো। গত ২১ আগস্ট বিকেলে শশুর বাড়ি উলানিয়া ইউনিয়নের হর্ণি গ্রামের যাওয়ার জন্য সে বেড় হয়। ২দিন পর ইয়াছিনের মা ফরিদা বেগম (৬৬) ফোনে পুত্রবধুর গাছে জানতে পারেন যে সে শশুর বাড়ি যানইনি।
ইয়াছিনের সাথেই সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী খাদিজা বেগমের (২০) আসার কথা ছিল। তিনি বলেন, মাত্র ১ মাস আগে বিয়ে করেছিল ইয়াছিন। বিয়ের পর ঘটক টাকা চেয়েছিল।
এটা নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে তার শশুর ছালেম মাঝি ঘটকেকে ২ হাজার টাকা দিয়ে এ বিষয়ে বারাবারি না করার অনুরোধ জানান। ভগ্নিপতি ইব্রাহীম বলেন, পুত্রের খোজ না পেয়ে বৃদ্ধ মা বার বার কান্নায় মুর্ছা যাচ্ছেন। সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী খাদিজাও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
ইয়াছিনের ফরিদা বেগম জানান, শশুর বাড়িসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি শেষে তাকে না পেয়ে গত মঙ্গলবার থানায় জিডি করেছেন। ওই দিন থেকে তার (ইয়াছিন) মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।
এব্যপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা মেহেন্দীগঞ্জ থানার এসআই মেহেদী হাসান মিলন বলেন, ইয়াছিনের নতুন বিয়ে হয়েছে। সে শশুর বাড়ি যাওয়ার পথে নিখেঅজ হন। এ ঘটনায় গত ২৪ আগস্ট তার মা ফরিদা বেগম থানায় সাধারন ডায়রি করেছেন।
তিনি ইয়াছিনের স্ত্রীসহ শশুর বাড়ির সকলকে থানায় ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তারাও খুজতেছেন। তবে ঘটকের সাথে বিরোধের বিষয় তাকে কেউ বলেননি।
