নাগরিক রিপোর্ট : ঢাকা থেকে বরিশালে আসা যাত্রীবাহি লঞ্চ কুয়াকাটা- ২ কর্মচারী কেবিন থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম শারমিন আক্তার (৩০)। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে এক পুরুষের সঙ্গে শারমিন ঢাকা থেকে বৃহস্পতিবার রাতে লঞ্চে ওঠে। শুক্রবার প্রত্যুষে লঞ্চটি বরিশালে পৌছার পর কেবিন থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তার আগেই লাপাত্তা হয়ে গেছে শারমিনের সঙ্গে থাকা অজ্ঞাত ব্যক্তি। ওই নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে।
বরিশাল নৌ পুলিশের সহকারি পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কুয়াকাটা- ২ লঞ্চ থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের তরুনীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে ধারনা করা হচ্ছে। মৃতদেহের ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। মৃতদেহটি ঢাকা পলিটেকনিক সংলগ্ন কুনিপাড়া এলাকার এনায়েত হোসেনের মেয়ে। হাবিবুর রহমান জানান, নিহত নারীর স্বজনদের খবর দেয়া হয়েছে।
লঞ্চের কর্মচারী সোহাগ বলেন, স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তার কাছ থেকে কেবিনটি ভাড়া নেয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাতে দুই যাত্রী লঞ্চে ওঠেন। সকালে লঞ্চ বরিশালে পৌছার পর বাহির থেকে কেবিন তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে তালা ভেঙ্গে নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন জানান, নারীর মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। লঞ্চের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে নিহত নারীর সঙ্গে থাকা পুরুষটিকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।##
